ED on IPAC ₹20 Crore Hawala Allegation: কলকাতা থেকে হাওয়ালায় ২০ কোটি পাঠানো হয়েছিল গোয়ার আইপ্যাক অফিসে, দাবি ইডির
ইডি বলেছে যে পশ্চিমবঙ্গে কয়লা চোরাচালান থেকে অর্জিত প্রায় ২০ কোটি টাকা হাওয়ালা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কলকাতা থেকে গোয়ায় পাঠানো হয়েছিল। ২০২১-২২ সালে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক প্রচার এবং ইভেন্ট পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল সেই অর্থ।
কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা একটি আবেদনে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডি বলেছে যে পশ্চিমবঙ্গে কয়লা চোরাচালান থেকে অর্জিত প্রায় ২০ কোটি টাকা হাওয়ালা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কলকাতা থেকে গোয়ায় পাঠানো হয়েছিল। ২০২১-২২ সালে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক প্রচার এবং ইভেন্ট পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল সেই অর্থ। তবে এই অভিযোগগুলি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।

ইডির তরফে জানানো হয়েছে, এই বেআইনি অর্থ বিভিন্ন হাতে ছয়বার লেনদেন করা হয়েছে, যাতে এর কোনও চিহ্ন না থাকে। তদন্তে জানা গেছে যে কয়লা চোরাচালান থেকে মোট অবৈধ আয় প্রায় ২৭৪২ কোটি টাকা। যার মধ্যে থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা আই-প্যাকের গোয়া অপারেশনে ব্যয় করা হয়েছিল। হাওয়ালা নেটওয়ার্ক নিয়ে তদন্তে ইডি আরও জানিয়েছে, তদন্তকারীরা নয়াদিল্লির একটি নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক পরিষেবা (এনবিএফসি) সংস্থার প্রাক্তন ডিরেক্টরের সাথে অর্থের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন।
অভিযোগ, একই ব্যক্তি 'মুন্না' নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা অন্যত্র পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এরপর মুন্না হাওয়ালা নেটওয়ার্কের আরেক সদস্যকে এই লেনদেনে যুক্ত করেন, যার মাধ্যমে টাকা কলকাতার একটি হাওয়ালা ফার্মের ম্যানেজারের কাছে পৌঁছেছিল। ইডির দাবি, উল্লিখিত ম্যানেজার তার বিবৃতিতে এই কথা স্বীকার করেছেন যে তিনি ২০২১-২২ সালে গোয়ায় নগদ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই নগদ অর্থ একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার এক কর্মচারীর হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। সংস্থাটির তরফে জানানো হয়েছে, গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় এই সংস্থা আই-প্যাকের জন্য ইভেন্ট এবং প্রচারের কাজ পরিচালনা করছিল।
ইডি হাইকোর্টকে আরও জানিয়েছে যে সেই সময় আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক প্রতীক জৈন গোয়ায় পরামর্শদাতার কাজকর্ম দেখভাল করছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে ৮ জানুয়ারি নয়াদিল্লি এবং কলকাতার ১০টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তল্লাশির মধ্যে মধ্য কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িও তল্লাশি চালানো হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অভিযোগ, পুরো মামলায় অর্থের উৎস কয়লা চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত, যার নেতৃত্বে ছিলেন অনুপ মাজি।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ইসিএল) চত্বর থেকে কয়লা চুরি ও অবৈধ খনন করেছে। ইসিএল হল একটি কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা যা পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খন্ডের কিছু অংশে কাজ করে। দাবি, চুরি হওয়া কয়লা বাঁকুড়া, পূর্ববর্ধমান, পুরুলিয়াসহ বেশ কয়েকটি জেলার কারখানায় বিক্রি করা হয়েছিল। কারখানা মালিকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিন্ডিকেট সদস্যরা সেই অর্থ সংগ্রহ করে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার ভামুরিয়া এলাকার একটি অফিসে জমা দিয়েছিল। ইডি বলেছে যে এটি অর্থ ট্রেইল এবং রাজনৈতিক তহবিল সম্পর্কিত সমস্ত দিকের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালিয়ে যাবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


