সাত সকালে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডি! রয়েছে কোন অভিযোগ?
জানা যাচ্ছে, ইউনেস্কোর ভুয়ো পাস বিক্রি করে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ রয়েছে ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দার বিরুদ্ধে।
প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে এবার ইডির হানা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে পুজোর এন্ট্রি পাস নিয়ে বিপুল আর্থিক প্রতারণার। মঙ্গলবার সকালে তাঁর কসবার বাড়িতে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুধু মন্ত্রীই নন, তাঁর বেশ কয়েকজন আত্মীয় ও ম্যানেজারের বাড়িতেও শুরু হয়েছে তল্লাশি।

জানা যাচ্ছে, ইউনেস্কোর ভুয়ো পাস বিক্রি করে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ রয়েছে ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দার বিরুদ্ধে। চলতি বছরের জুন মাসে বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল ইন্দ্রনীল সেন, তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন এবং ‘মাস আর্ট’ নামে এক সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয় বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে ইডি।
সামনেই দুর্গাপুজো। তার আগে, ২০২১ সালের দুর্গাপুজোর এন্ট্রি পাস নিয়ে তছরুপের অভিযোগে নয়া তদন্তে নামল ইডি। মঙ্গলের সকালে হুগলির সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীলের বাগানবাড়ি ‘মোহর’-এও পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। রিপোর্ট বলছে, দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পরে মাস ছয়েকের মধ্যে এই সংগঠনটি তৈরি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, দুর্গাপুজোর প্রচারের ক্ষেত্রে নিজেদের ইউনেস্কোর ‘অফিশিয়াল পার্টনার’ বলে দাবি করে সংস্থা। ওই সংগঠনের মাধ্যমে ‘প্রিভিউ শো’-এর নামে চড়া দামে পাস বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে এই অভিযোগের তদন্তে নামে ইডিও। দুর্গাপুজোর মুখে ‘ভুয়ো পাস’ বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


