ED raid at I-PAC office: ভোটের আগেই তৃণমূলের পরামর্শদাতা আইপ্যাকের অফিসে অভিযান ইডির, নজরে প্রতীক জৈনও
রাজনৈতিক পরাদর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিসে অভিযান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি)। শুধু তাই নয়, কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন।
রাজনৈতিক পরাদর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেকের অফিসে অভিযান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি)। শুধু তাই নয়, কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতেও কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আপাতত সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, দিল্লির পুরনো একটি মামলা নিয়েই অভিযান চালানো হচ্ছে। সেজন্য দিল্লি থেকে বিশেষ দলও এসেছে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের মাসকয়েক আগে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থার অফিসে ইডির অভিযানে বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে।

তৃণমূলের স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণে আইপ্যাকের বড় ভূমিকা
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গে বিজেপির উত্থান থামিয়ে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল যে জিতেছিল, তার পিছনে বড় ভূমিকা ছিল আইপ্যাকের। এবারও বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের শাসক দলের একাধিক স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করতে, বিরোধীদের আক্রমণের পালটা দিতে, প্রচার কৌশল সাজাতে আইপ্যাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অভিষেকের প্রচারের ক্ষেত্রেও ঘুঁটি সাজায় আইপ্যাক
এমনকী একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প চালু করে, তার পিছনে আইপ্যাক থাকে। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও অত্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করে আইপ্যাক। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের ঘুঁটি সাজাতেও আইপ্যাকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। এখন অভিষেক যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে-ঘুরে প্রচার চালাচ্ছেন, সভা করছেন, সেটার প্রচার পুরোদমে চালাচ্ছে প্রতীকদের সংস্থা। যিনি নিজেও যথেষ্ট প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত।
জল মাপছে সল রাজনৈতিক দলই?
তবে সেই আইপ্যাকের দফতরে ইডির অভিযান নিয়ে আপাতত তৃণমূল বা বিজেপি বা সিপিআইএম বা কংগ্রেসের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কোনও দলই এখনও মুখ খোলেনি। আরও কিছুটা জল মেপে এবং জল কোনদিকে গড়ায়, সম্ভবত সেদিকেই তাকিয়ে আছে সব রাজনৈতিক দল। সংশ্লিষ্ট মহলের অবশ্য ধারণা, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার মাসদেড়েক আগে আইপ্যাকের দফতরের ইডির অভিযান নিয়ে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠতে পারে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


