Mamata vs ED case hearing update: ‘বর্মের আড়ালে অপরাধী লুকিয়ে থাকতে পারে না', ইডি-দিদি সংঘাত মোড় ঘোরাবে দেশের?
আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি ও দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সংঘাত মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে দেশের। কারণ সেই মামলার শুনানিতে একাধিক বৃহত্তর প্রশ্ন উঠে এল। যেগুলি বিচার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
দিদি বনাম ইডি মামলার বৃত্ত শুধু পশ্চিমবঙ্গেই থাকল না, ছড়িয়ে পড়ল দেশে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় একাধিক ‘বৃহত্তর প্রশ্ন’ নিয়ে আলোচনা করা হয়, যেগুলির সমাধান না করলে ভবিষ্যতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বা অরাজকতা তৈরি হতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে যে শীর্ষ আদালত বলেছে, দেশে যাতে আইনের শাসন বজায় থাকে এবং প্রতিটি সংস্থাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বর্মের আড়ালে লুকিয়ে থেকে যাতে কোনও অপরাধী রক্ষা না পান, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেইসঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বৃহত্তর প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। যদি সেটার ফয়সালা না করা হয়, তাহলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে অরাজকতা সৃষ্টির মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

'বর্মের আড়ালে কোনও অপরাধী লুকিয়ে থাকতে পারে?'
সেই রেশ ধরে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এটা ঠিক যে কোনও দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু একইসঙ্গে এই প্রশ্নটাও উঠছে যে সৎভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা যদি গুরুতর অপরাধের তদন্ত করে, তাহলে সেই বর্মের আড়ালে লুকিয়ে কি ওই তদন্তকারী এজেন্সিকে নিজের কাজ করা থেকে আটকানো যায়?
'সৎ উদ্দেশ্যেই তল্লাশি বলে মেনে নিতে হবে'
তারইমধ্যে বিচারপতি মিশ্র পর্যবেক্ষণ করেন, আর্থিক তছরূপ বিরোধী আইনের ৬৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ইডি যদি অনুমোদনপত্র নিয়ে তল্লাশি চালায়, তাহলে তারা সৎ উদ্দেশ্যেই কাজ করছে বলে ধরে নেওয়া যায়।
পুলিশি তদন্ত স্থগিত থেকে সিসিটিভি- সুপ্রিম কোর্ট কী কী নির্দেশ দিল?
এমনিতে আজ সবপক্ষের শুনানির পরে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, তাতে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যতদিন না পরবর্তী শুনানি হচ্ছে, ততদিন স্থগিত থাকবে পুলিশি তদন্ত। সেইসঙ্গে গত ৮ জানুয়ারি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস এবং কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়ির সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ। আর দু'সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিতে হবে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি ফের সেই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে শীর্ষ আদালত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


