Madan Mitra: মদন মিত্রের গাড়িতে ডিম হানা, 'মৃত্যু দেখলাম কাছ থেকে', বললেন তৃণমূল বিধায়ক
মদন মিত্রের অভিযোগ, আনোয়ার খান নামে এক ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন। ফেসবুক লাইভে মদন মিত্র বলেন, ওই ব্যক্তি অতীতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ পরিসরে মেলামেশা করলেও সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক অবস্থান বদলেছেন।
কামারহাটিতে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। শনিবার তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ এবং বিক্ষোভের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ঘটনার সময় তিনি গাড়ির ভিতরে ছিলেন না বলে দাবি করেছেন মদন মিত্র নিজেই। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি গোটা ঘটনার বর্ণনা দেন এবং এক বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলেন।

মদন মিত্রের অভিযোগ, আনোয়ার খান নামে এক ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন, পরে বিজেপিতে যোগ দেন। ফেসবুক লাইভে মদন মিত্র বলেন, ওই ব্যক্তি অতীতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ পরিসরে মেলামেশা করলেও সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক অবস্থান বদলেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমানে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ওই ব্যক্তির নেতৃত্বেই তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও হামলার চেষ্টা হয়েছে।
বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দক্ষিণেশ্বরের একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর গাড়িকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং তিনি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন বলে অনুভব করেছেন। যদিও তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, তবুও এই ঘটনার মাধ্যমে তাঁকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।
ফেসবুক লাইভে মদন মিত্র আরও দাবি করেন, ঘটনায় শুধু ডিম নিক্ষেপ নয়, গুলি চলারও অভিযোগ রয়েছে। তবে একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে, এই অভিযোগের পক্ষে তাঁর হাতে কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এলে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। ঘটনার পর পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাতেও প্রশ্ন তুলেছেন কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি রাজ্যের পুলিশ মহলের শীর্ষ কর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণেশ্বর এলাকায় তাঁর দলের এক কাউন্সিলরের বাড়ি ঘিরে কিছু দুষ্কৃতী অবস্থান নেয় এবং সেখানে উত্তেজনামূলক স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনাগুলিকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং পরিকল্পিত রাজনৈতিক আক্রমণের অংশ বলেই মনে করছেন তিনি। ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে পাল্টা অভিযোগের আবহ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


