EC on BLO strict action: FIR হবে! SIR-র মধ্যে BLO-দের ‘ওয়ার্নিং’ নির্বাচন কমিশনের, সমঝে দিতে কড়া বার্তা?

সাসপেনশন থেকে এফআইআর- বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) ‘ওয়ার্নিং’ দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, নিজেদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, গাফিলতি করলে, অসদাচরণ করলে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দেশ অমান্য করলে বিএলওদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।

Published on: Jan 23, 2026 11:42 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সাসপেনশন থেকে এফআইআর- বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) ‘ওয়ার্নিং’ দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) মধ্যেই সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে যে নিজেদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, গাফিলতি করলে, অসদাচরণ করলে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দেশ অমান্য করলে বিএলওদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। এমনকী অপরাধমূলক কাজের ক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরেরও ছাড়পত্র দিয়েছে কমিশন। আর তারপরই প্রশ্ন উঠেছে যে কোনও কোনও ক্ষেত্রে বিএলওদের সমঝে দিতেই কি এরকম কড়া বার্তা দেওয়া হল?

এসআইআরের মধ্যে বিএলওদের ‘ওয়ার্নিং’ নির্বাচন কমিশনের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
এসআইআরের মধ্যে বিএলওদের ‘ওয়ার্নিং’ নির্বাচন কমিশনের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

তা নিয়ে কিছু না বললেও কড়া নিয়ম সংক্রান্ত পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট বিএলওকে সাসপেন্ড করে দেবেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)। আর তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবেন। আবার যদি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ওঠে, তাহলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিএলওয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত দায়ের করতে পারবেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক।

উল্লেখ্য, এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে 'জয়' মিলতেই জেলাশাসকদের বৈঠকে 'সারপ্রাইজ ভিজিট' করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর ডাকা জেলাশাসকদের (যাঁরা জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বটে) সেই বৈঠকে হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী চলে আসেন। মেরেকেটে ১৫ মিনিটেই ‘ঝাঁকুনি’ দেন। তিনি দাবি করেন যে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের হয়ে কাজ করছেন তিন-চারজন জেলাশাসক। তাঁরা আদতে যে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, সেটাও স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন যে জেলাশাসকদের কঠোরভাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তথ্যগত অসংগতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য যাতে কাউকে হেনস্থার মুখে পড়তে না হয়, সেই বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এমনিতে এসআইআরের দিনক্ষণ বৃদ্ধির বিষয়ে কমিশন ভাবনাচিন্তা করছে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এসআইআরের শুনানি-পর্ব শেষ হওয়ার কথা আছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ১০ দিন বাড়ানো হতে পারে শুনানির মেয়াদ। আর শুনানির সময়সীমা বাড়ানো হলে স্বভাবতই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতেও দেরি হবে। আপাতত আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা আছে। সেটা যে পিছিয়ে যাবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলে একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।