Election Commission Seeks Report on Mamata: মমতার ভাষণে উস্কানি খুঁজে পেল নির্বাচন কমিশন? দিল্লিতে তলব করা হল রিপোর্ট

গত ২৫ মার্চ মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে জনসভায় মমতা বলেছিলেন, 'ভোটের সময় কেউ ভয় দেখাতে আসলে ঘরে যা আছে, তা নিয়ে বের হবেন।' এই মন্তব্যের জেরে অশান্তি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

Published on: Mar 28, 2026, 09:48:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক। তৃণমূল সুপ্রিমো নিজের ভাষণের মাধ্যমে উস্কানি দিয়ে থাকতে পারেন বলে মত নির্বাচন কমিশনের। এই আবহে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৫ মার্চ মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে জনসভায় মমতা বলেছিলেন, 'ভোটের সময় কেউ ভয় দেখাতে আসলে ঘরে যা আছে, তা নিয়ে বের হবেন।' এই মন্তব্যের জেরে অশান্তি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

গত ২৫ মার্চ মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে জনসভায় মমতা বলেছিলেন, 'ভোটের সময় কেউ ভয় দেখাতে আসলে ঘরে যা আছে, তা নিয়ে বের হবেন।' (PTI)
গত ২৫ মার্চ মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে জনসভায় মমতা বলেছিলেন, 'ভোটের সময় কেউ ভয় দেখাতে আসলে ঘরে যা আছে, তা নিয়ে বের হবেন।' (PTI)

মমতার 'উস্কানিমূলক' ভিডিয়োর ক্লিপটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই আবহে সেই ভিডিয়োটি খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে দ্রুত রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে দিল্লিতে। উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয় ভূমিকা এবং প্রশাসনিক পদে রদবদল ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির ওপর খাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিজেপির কথা মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন। এই আবহে নির্বাচন কমিশনকে ধারাবাহিক ভাবে তোপ দেগে চলেছেন মমতা। এই আবহে উত্তরবঙ্গের সেই জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছিলেন, 'ভোটের দিন সকালে বুথ পাহারা দিন। যাতে বাইরে থেকে লোক এসে ছাপ্পা না দিতে পারে। যদি কেউ ভয় দেখাতে আসে যা আছে, তাই নিএই বেরিয়ে যাবেন। রান্না তো আপনারা করেনই, আমি বেশ বলব না।'

এদিকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে সংসদের দুই কক্ষেই নোটিস দিয়েছে তৃণমূল। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের প্রস্তাবের পক্ষে সারা দেশের ১৯৩ জন সাংসদের সই সংগ্রহ করেছে রাজ্যের শাসক দল। অবশ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে সংসদের দুই তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যা তৃণমূলের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। তবে রাজ্যের রাজনীতিতে তাদের এই বিরোধিতা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More