Election Commission: রাজনৈতিক দলের হয়ে পক্ষপাতিত্ব! ভোটের আগে ৫ BLO-কে সাসপেন্ড, পুলিশেও রদবদল

Election Commission: রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড়সড় রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। এবার বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হল আইপিএস ত্রিপুরারি অথর্বাকে।

Published on: Apr 18, 2026 12:18 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Election Commission: বাংলায় প্রথম দফা নির্বাচনের আর হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে শেষ মুহুর্তে চলছে জোর কদমে শাসক-বিরোধী উভয় শিবিরের প্রচার। আর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচারের অভিযোগে পাঁচজন বুথ লেভেল অফিসারকে (বিএলও) সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের আগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলিধরকে। তাঁর জায়গায় আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বাকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

৫ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল কমিশন
৫ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল কমিশন

৫ বিএলও-কে সাসপেন্ড

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনা ও বীরভূমের মোট ৫ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে ৫ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ ছিল। এরা হলেন, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের তিনজন বিএলও তপন কুমার সাহা, অভিজিৎ দে, কুমারজিৎ দত্ত। এবং বীরভূমের দুবরাজপুর, ময়ূরেশ্বরের দু’জন বিএলও। এই ৫ জনকে আগেই শোকজ করেছিল কমিশন। তবে জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এবার কড়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এঁদের মধ্যে কুমারজিৎ শো কজের জবাব দিতে অস্বীকার করেন। এঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি এফ‌আইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে ৩ জন বিএলও-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরা তৃণমূলের হয়ে দেওয়াল লিখছিলেন। এছাড়া দুবরাজপুরে মঞ্জুরি চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ভোটারদের ভোটার স্লিপ বিতরণ করছিলেন। ময়ূরেশ্বরের বিএলও ভোটার স্লিপ বিলি করার সময় যে সাইকেলে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের পতাকা লাগানো ছিল। এই দুই ক্ষেত্রেই বিএলও-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কমিশন। ভোটের কাজে যুক্ত সরকারি কর্মীদের একাংশ কোনও একটি রাজনৈতিক দলের স্বার্থে কাজ করায় কড়া বার্তা দিল কমিশন। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করবে না, এই পদক্ষেপে তা স্পষ্ট। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত আধিকারিকদের জন্য এই ঘটনা একটি বড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

পুলিশে রদবদল

অন্যদিকে, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড়সড় রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। এবার বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হল আইপিএস ত্রিপুরারি অথর্বাকে। ১৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে যে, শ্রী ত্রিপুরারি অথর্বাকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদে বসানোর জন্য কমিশনের অনুমোদন মিলেছে। নবান্নকে দেওয়া এই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ১৮ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। ভোট চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই কমিশনের এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। অর্থাৎ বিধাননগর আগের পুলিশ কমিশনারেট মুরলিধরকে সরিয়ে দিল কমিশন।