Election Commission to WB: নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের

মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআরের কাজে গাফিলতির জন্য বেশ কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সেই এফআইআর হয়নি। এছাড়াও আরও একাধিক ক্ষেত্রে নির্দেশ অমান্যের দাবি করে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

Published on: Feb 5, 2026, 10:06:25 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

৪ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এসআইআরের কাজে গাফিলতির জন্য বেশ কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সেই এফআইআর হয়নি। এই নিয়েই রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। (@ECISVEEP)
মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। (@ECISVEEP)

এদিকে চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নির্দেশ মতো বসিরহাট ২-এর বিডিও ও এইআরও সুমিত্র প্রতিম প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়নি এখনও। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমাম্য করে এসআইআরে অতিরিক্ত আধিকারিক নিয়োগ করেছিলেন এই সুমিত্র প্রতিম প্রধান। এছাড়াও চিঠিতে কমিশন বলেছে, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এসডিও বা এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইআরও এবং রিটার্নিং অফিসার হিসেবে সঠিকভাবে নিয়োগ করা হয়নি। উল্লেখ্য, আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভিনরাজ্য থেকে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করছে নির্বাচন কমিশন। তখন কমিশনের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, রাজ্যের থেকে আধিকারিক চেয়েও পায়নি তারা, তাই বাধ্য হয়ে ভিনরাজ্য থেকে আনা হয়েছে আধিকারিক। আদালতের সেই যুক্তিকে আরও পোক্ত করতে ইআরও এবং রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে চিঠির মাধ্যমে রাজ্যকে তোপ দাগল কমিশন।

এদিকে মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরেও তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলি বাতিল করা হয়নি। এই আবহে কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৩টের মধ্যে সব বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে, আমরা ন্যায়বিচার পাচ্ছি না, যখন ন্যায়বিচার দরজার আড়ালে কাঁদছে - আমরা কোথাও ন্যায়বিচার পাচ্ছি না। আমি ইসিআইকে চিঠি লিখেছি... কিন্তু কোনও জবাব পাইনি। আমি খুব কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, আমি আমার দলের জন্য লড়াই করছি না।' এরপর মমতা কয়েকটি ছবি দেখাতে চান প্রধান বিচারপতিকে। তিনি অভিযোগ করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হচ্ছে। মমতা প্রশ্ন তোলেন, কেন অসমে এসআইআর হচ্ছে না, তবে ২৪ বছর পরে বাংলায় এসআইআর হচ্ছে। এদিকে তিনি বলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে ৮ হাজারের বেশি মাইক্রো অবজারভার নিয়ে এসে নাকি নাম মোছা হচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলে আখ্যা দেন।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More