SSC 2nd SLST Panel List: ভুল আছে SSC একাদশ-দ্বাদশের মেধাতালিকায়? নম্বর যোগ নিয়ে বড় অভিযোগ, সামনে সত্যিটা
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের মেধাতালিকা বা প্যানেল প্রকাশিত হয়েছে। তারপরই বড়সড় অভিযোগ তোলা হল। বিশেষত দু'জন নির্দিষ্ট প্রার্থীর নাম তুলে ধরে দাবি করা হচ্ছে যে নম্বর যোগ করতে ভুল করেছে এসএসসি।
এসএসসি একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের মেধাতালিকায় কি বড়সড় ভুল থাকল? বুধবার সন্ধ্যায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) তরফে মেধাতালিকা বা প্যানেল প্রকাশের পর থেকেই একটি মহলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় তরফে তেমনই দাবি করা হচ্ছে। বিশেষত দু'জন নির্দিষ্ট প্রার্থীর নাম তুলে ধরে দাবি করা হচ্ছে যে নম্বর যোগ করতে ভুল করেছে এসএসসি। সেজন্যই তাঁরা মেধাতালিকায় উপরের দিকে সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ করতে থাকেন একাংশ। প্রাথমিকভাবে তাঁরা ঠিকই অভিযোগ করছিলেন। পরবর্তীতে নতুন করে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। তাতে ঠিক নম্বর ছিল।

কোন কোন প্রার্থীদের নিয়ে এরকম অভিযোগ উঠছে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে দু'জন প্রার্থীর নাম ধরে সেই অভিযোগ করা হচ্ছে, তাঁদের একজন হলেন ঝুম্পা মণ্ডল। অপরজন হলেন পিন্টু মল্লিক। ঝুম্পা অঙ্কের জেনারেল (পুরুষ/মহিলা) ক্যাটেগরিতে সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর নাম আছে ৪২ নম্বরে। শিক্ষাগত যোগ্যতায় ১০ নম্বর, লিখিত পরীক্ষায় ৫২ নম্বর, ইন্টারভিউয়ে ১৬.৫ নম্বর এবং অভিজ্ঞতার জন্য ছয় নম্বর পেয়েছেন। সবমিলিয়ে ৯০.৫ নম্বর পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে তাঁর অভিজ্ঞতার নম্বরে শূন্য দেখানো হচ্ছে। আর সেটার ভিত্তিতে দাবি করা হচ্ছে যে ওই প্রার্থীর নম্বর ভুলভাবে যোগ করা হয়েছে। কিন্তু আসলে ঠিকভাবেই নম্বর যোগ করেছে এসএসসি।
অভিজ্ঞতার শূন্য দেখিয়ে ছবি পোস্ট করা হয়েছে
ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে পিন্টুর ক্ষেত্রে। অঙ্কে ওবিসি-বি ক্যাটেগরিতে ২৪ নম্বরে তাঁর নাম আছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে যে ওই প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৫৮ নম্বর পেয়েছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য পেয়েছেন ১০ নম্বর। ইন্টারভিউ ও ডেমোস্ট্রেশনে ১৪ নম্বর পেয়েছেন। অভিজ্ঞতার জন্য কোনও নম্বর পাননি। ফলে তাঁর সর্বমোট নম্বর যেখানে ৮২ হওয়ার কথা, সেখানে ৮৮ দেখানো হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তিনি অভিজ্ঞতার জন্য ছয় নম্বর পেয়েছেন। ফলে প্রাপ্ত নম্বর ৮৮ হওয়ারই কথা।
হাইকোর্টের নির্দেশে ৪ প্রার্থীকে অভিজ্ঞতার নম্বর
আর ওই দুই প্রার্থী যে অভিজ্ঞতার জন্য ছয় নম্বর পেয়েছেন, সেটার নেপথ্যে আছে কলকাতা হাইকোর্টের রায়। গত ২৫ নভেম্বর এসএসসির তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল যে হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে চারজন প্রার্থীকে অভিজ্ঞতার জন্য ছয় নম্বর দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা হলেন পিন্টু (অঙ্ক), অরিত্র রায় (অঙ্ক), অরূপকুমার শিট (পদার্থ বিজ্ঞান) এবং ঝুম্পা (অঙ্ক)।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


