EVM Tampering: 'ইভিএমের বোতাম আঠা, কালি, পারফিউম লাগানো হলে…', কড়া নির্দেশিকা জারি নির্বাচন কমিশনের
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ঠিক রাখা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ইভিএমে সমস্ত প্রার্থীর বোতাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হওয়া উচিত। টেপ, আঠা বা অন্য কোনও উপাদান দিয়ে ইভিএমের কোনও বোতাম ঢেকে রাখা যাবে না।
বিধানসভা নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য বেশ কয়েকটি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ঠিক রাখা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ইভিএমে সমস্ত প্রার্থীর বোতাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হওয়া উচিত। টেপ, আঠা বা অন্য কোনও উপাদান দিয়ে ইভিএমের কোনও বোতাম ঢেকে রাখা যাবে না।

নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোটারের কোনও সমস্যা যাতে না হয় বা ভোটকে যাতে প্রভাবিত না করা হয়। এই আবহে বোতামে কোনও রঙ, কালি, পারফিউম বা রাসায়নিক প্রয়োগ করা যাবে না। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে সাম্প্রতিককালে বহু নেতা-কর্মীকে হুমকি দিতে শোনা গিয়েছে ভোটারদের। অনেক তৃণমূল নেতাই বলন, কোন ভোটার কোথায় ভোট দিচ্ছেন, তা তারা জানতে পেরে যাবেন। এই পরিস্থিতিতে ভোটারের গোপনীয়তা যাতে লঙ্ঘিত না হয়, তার জন্য কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে ইভিএমের ক্ষেত্রে কোনও অনিয়ম ধরা পড়ে, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসারকে অবিলম্বে রিটার্নিং অফিসার বা সেক্টরাল অফিসারকে জানাতে হবে। কমিশন সতর্ক করে দিয়েছে, ইভিএম বোতামে যদি রং বা কিছু লাগানো হয়, তাহলে তা নির্বাচনী অবরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই ক্ষেত্রে কমিশন সতর্ক করে দিয়েছে, দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে যদি কোনও বুথে এ জাতীয় ঘটনা নিশ্চিত হয়, তবে কমিশন সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
এদিকে কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটার নন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক কর্মী, দলীয় কর্মী এবং সমর্থকদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। এদিকে কোনও কর্মকর্তা যদি নিয়ম কার্যকর করায় শিথিলতা দেখান, অসদাচরণ বা পক্ষপাতিত্ব করেন, তাহলে গুরুত্ব অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


