Saokat Molla's Son's Cafe Update: মাতলা নদীর চর দখলের অভিযোগে শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে বুলডোজার

প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ক্যাফেটেরিয়ায় বুলডোজার চালাল প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ধারে মাতলা নদীর চরের ওপর ক্যাফেটি গড়ে তোলা হয়েছিল। অভিযোগ, শওকত বিধায়ক থাকাকালীনই তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা এই ক্যাফেটি নির্মাণ করেন।

Published on: Jul 2, 2026, 09:48:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ক্যানিংয়ের মৌখালিতে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ক্যাফেটেরিয়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুলডোজার চালাল প্রশাসন। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর এবং সেচ দপ্তরের জমি দখল করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল 'অরণ্যের কুলে' নামে এই ক্যাফেটি। পূর্বে নোটিস দেওয়ার পর এদিন প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভাঙার কাজ শুরু হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকাজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ক্যাফেটেরিয়ায় বুলডোজার চালাল প্রশাসন।
প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন ক্যাফেটেরিয়ায় বুলডোজার চালাল প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ধারে মাতলা নদীর চরের ওপর ক্যাফেটি গড়ে তোলা হয়েছিল। অভিযোগ, শওকত মোল্লা বিধায়ক থাকাকালীনই তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা এই ক্যাফেটি নির্মাণ করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ব্যবসাও চলছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিষয়টি নতুন করে প্রশাসনের নজরে আসে।

ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে শওকত মোল্লা গ্রেপ্তার হওয়ার পর তদন্ত চলাকালীন ইমরান মোল্লার এই ক্যাফেটি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এরপর ক্যাফের বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য ইমরান মোল্লাকে মহকুমাশাসকের দফতরে তলব করা হয়। প্রশাসনের দাবি, জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখে দেখা যায়, ক্যাফেটি সেচ দপ্তরের জমি দখল করে তৈরি করা হয়েছে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় কোনও বৈধ অনুমতি বা ছাড়পত্র নেই। তদন্তে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মহকুমাশাসক ক্যাফেটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

সেই নির্দেশ কার্যকর করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বুলডোজার নিয়ে হাজির হয় প্রশাসন। একের পর এক অংশ ভেঙে ফেলা শুরু হয় ঝাঁ-চকচকে ক্যাফেটির। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং মহকুমার পুলিশ আধিকারিক, জীবনতলা থানার আধিকারিক-সহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান।

এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা চললেও আগে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি। অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগের ভিত্তিতে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ক্যাফে ভাঙার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More