Ex-Army officer on India-Bangladesh Border: বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টে ভারতীয় সেনার প্রাক্তন কর্তা! সামনে বড় তথ্য

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ভারতীয় সেনার প্রাক্তন কর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের একটা বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশ।

Published on: Jan 22, 2026 12:33 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সীমান্তে সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা দায়ের করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্তা, সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফের হাতে এখনও অনেকটাই জমি হস্তান্তর করেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যদিও পালটা রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে যে জমি হস্তান্তরের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা সবুজ সংকেত দিয়েছে। করা হয়েছে উপযুক্ত পদক্ষেপ।

বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন সেনাকর্তা তথা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রত সাহা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

প্রায় ১২৭ কিমির মতো জমি দেয়নি রাজ্য, সওয়াল হাইকোর্টে

এমনিতে হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানিতে হিসাব তুলে ধরে প্রাক্তন সেনাকর্তার আইনজীবী সওয়াল করেন যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জমির অনেকটাই সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেয়নি। আপাতত প্রায় ৭১ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু প্রায় ১২৭ কিমির মতো জমি এখনও দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে। সবথেকে বেশি জমি দেওয়া হয়নি মালদায়। যা প্রায় ৩১ কিমির মতো বলে হাইকোর্টে সওয়াল করেন প্রাক্তন সেনাকর্তার আইনজীবী।

রাজ্য সরকারের তরফে কী দাবি করা হল?

যদিও পালটা হলফনামা দাখিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বিএসএফের হাতে জমি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। জমি অধিগ্রহণের জন্য গঠন করা হয়েছে ডিরেক্ট পারচেজ কমিটিও।

জমি অধিগ্রহণ নিয়ে অমিত শাহ বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এমনিতে এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের একটা বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশ। ডিসেম্বরে কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অভিযোগ করেছিলেন যে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য মমতা সরকার জমি দেয় না কেন্দ্রকে। আর পুরো ভারতে একমাত্র একটি সরকারই এরকম কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গে যে অনুপ্রবেশ ঘটছে, তাতে প্রশ্রয় দিচ্ছেন মমতাই। সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পালটা দাবি করেন, বিএসএফকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে অনুপ্রবেশ নিয়ে পালটা শাহকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘পহেলগাঁও তাহলে কি আপনারা করলেন? দিল্লিতে কিছুদিন যে ঘটনা ঘটে গেল, তাহলে কি আপনারা করলেন? অনুপ্রবেশকারী (নাকি) বাংলা ছাড়া কোথাও নেই।’