Expired Saline: ‘বুক জ্বালা করছে...,’ রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন? বছর ঘুরলেও ফের বিতর্কে মেদিনীপুর মেডিক্যাল

Expired Saline Controversy: বৃদ্ধার ছেলে জানান, গত ৫ জুলাই কিডনি ও হার্টের সমস্যা নিয়ে মেদিনীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁর মাকে। কিন্তু চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, তাঁর স্ট্রোক হয়েছে। এরপর বুধবার সকালে বৃদ্ধাকে স্যালাইন দেওয়া হয়।

Published on: Jul 9, 2026, 22:24:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Expired Saline Controversy: আবারও স্যালাইনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এবার এক রোগিণীকে মেয়াদোত্তীর্ণ (এক্সপায়ারড) স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে তাঁর পরিবার। ঘটনাকে ঘিরে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে রোগীকে পাঠানো হয়েছে সিসিইউতে।

বছর ঘুরলেও ফের বিতর্কে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল
বছর ঘুরলেও ফের বিতর্কে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর নাম মানসী দে। মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগরপল্লির বাসিন্দা তিনি। বৃদ্ধার ছেলে জানান, গত ৫ জুলাই কিডনি ও হার্টের সমস্যা নিয়ে মেদিনীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁর মাকে। কিন্তু চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, তাঁর স্ট্রোক হয়েছে। এরপর বুধবার সকালে বৃদ্ধাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। রোগীর ছেলে জানান, গতকাল বিকেল থেকে তাঁর মায়ের বুকে জ্বালা শুরু হয়। সেই সময় স্যালাইনের বোতলে চোখ যেতেই তিনি দেখেন, চলতি বছরের মার্চেই সেটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা হাসপাতালের সুপার-সহ বিভিন্ন জায়গায় জানান। রোগিণীর ছেলে বিশ্বজিৎ দে অভিযোগ করে বলেন, 'মায়ের স্ট্রোক ছাড়াও একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে। বিকেলে মা বুক জ্বালার কথা বলতেই স্যালাইনের বোতল দেখে আমরা বুঝতে পারি সেটি এক্সপায়ার হয়ে গিয়েছে। কীভাবে এমন স্যালাইন রোগীকে দেওয়া হল, তার উত্তর চাই।'

অন্যদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়েই কোতোয়ালি থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছয়। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে নিয়ে গিয়ে আইসিইউ-তে ভর্তি করে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের এমএসভিপি ইন্দ্রনীল সেন বলেন, 'ঠিক কী ঘটেছে এখনই বলা সম্ভব নয়। রোগী আপাতত স্টেবল রয়েছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট এলেই বোঝা যাবে কী হয়েছে।' পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, 'হাসপাতালে ওষুধ স্টক করা থাকে। কোনওভাবে হয়তো একটা দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তা চিহ্নিত হয়েছে।' ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, মেদিনীপুর হাসপাতালে এই ঘটনা কিন্তু প্রথম নয়। ২০২৫ সালের ৮ জানুয়ারি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্যালাইন-কাণ্ডকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে তীব্র আলোড়ন পড়ে। ২ সদ্যোজাতের মৃত্যুও হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে পরীক্ষা করে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না। সেই ঘটনার পরও ফের একই ধরনের অভিযোগ ওঠায় আবারও প্রশ্নের মুখে হাসপাতালের ওষুধ ও চিকিৎসা পরিষেবা।