Farakka TMC MLA Manirul Islam: 'জেলে ভরে সামলাতে পারবে তো? মনিরুলকে জেলে ভরলে…', গুলি খাওয়ার কথা বললেন তৃণমূল বিধায়ক

মনিরুল এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বললেন, 'আমাকে জেলে ভরে সামলাতে পারবে তো?' বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক বলেন, 'ফরাক্কায় লাখো লাখো মনিরুল ইসলাম তৈরি হয়েছে। একটা মনিরুলকে জেলে ভরলে হাজার হাজার মনিরুল ইসলাম পথে নামবে, বিক্ষোভ করবে।'

Published on: Jan 26, 2026, 09:34:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ফরাক্কা বিডিও দফতরে এসআইআর শুনানি চলাকালীন তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। সেই মনিরুলকে পুলিশ অবশ্য গ্রেফতার করেনি এখনও। এহেন মনিরুল এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বললেন, 'আমাকে জেলে ভরে সামলাতে পারবে তো?' বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক বলেন, 'ফরাক্কায় লাখো লাখো মনিরুল ইসলাম তৈরি হয়েছে। একটা মনিরুলকে জেলে ভরলে হাজার হাজার মনিরুল ইসলাম পথে নামবে, বিক্ষোভ করবে।'

মনিরুল এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বললেন, 'আমাকে জেলে ভরে সামলাতে পারবে তো?'
মনিরুল এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বললেন, 'আমাকে জেলে ভরে সামলাতে পারবে তো?'

এদিকে যে নির্বাচন কমিশন মনিরুলের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছিল, তাদের উদ্দেশে ঘাসফুল শিবিরের নেতার বার্তা, 'তুমি ঠিক করবে, আমি ভারতবর্ষের নাগরিক কি নাগরিক নই? নেতাজি বলেছিলেন, তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব। আমি বলছি, আপনারা আমার পাশে থাকুন, যদি একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ চলে যায়, তাহলে প্রথম গুলিটা মনিরুল ইসলাম খাবে। মনিরুলকে জেলে ভরার আগে সমস্ত বিজেপি বিধায়ক সংসদদের জেলে যাওয়া উচিত।'

ফারাক্কায় এসআইআরের শুনানি পর্ব চলাকালীন বিডিও অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। সেই ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছিল। সেই হামলার ঘটনার একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীরা বিডিও-র চেম্বারে তাণ্ডব চালান। সেই সময় বিডিও অফিসে বিধায়ক স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। যদিও বিডিও নাকি পুলিশের কাছে 'অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের' নামে অভিযোগ দায়ের করেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া নাকি জঙ্গিপুর মহকুমা শাসককে এই বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে ইতিমধ্যেই মহকুমা প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরাক্কার বিধায়ক। চিঠিতে মনিরুল জানান, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়া তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না, তাঁর শব্দচয়নে ভুল থেকে থাকতে পারে।

কী ঘটেছিল ফারাক্কায়? ১৪ জানুয়ারি ফারাক্কার বিডিও অফিসের সামনে তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা ধরনায় বসেছিলেন। তাঁরা ইআরও-র কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র তুলে দেন। পরে তৃণমূল কর্মীসমর্থকরা বিডিও অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। স্লোগান তোলা হয়, 'এসআইআর মানছি না, মানব না।' বিডিওর চেম্বারে চেয়ার ছুড়ে ফেলা হয় টেবিলে। গেট অবরুদ্ধ করে অবিলম্বে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি ওঠে। এর দেরে সাময়িকভাবে শুনানির কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে হিয়ারিং ক্যাম্পেও ভাঙচুর হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে সেই ঘটনায় জঙ্গিপুর পুলিশ স্টেশনে এফআইআর দায়ের করেন বিডিও। তবে এফআইআরে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বা তাঁর সঙ্গে থাকা কোনও তৃণমূল নেতার নাম না থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। পরে নির্বাচন কমিশন বিধায়কের নামে এফআইআর করার নির্দেশও দেয়। তবে তাতেও কাজ হয়নি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More