FIR against Election Commissioner: নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের, পুলিশের বিরুদ্ধে পালটা পদক্ষেপ হবে?
নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে দায়ী করে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এবার এফআইআর গ্রহণ করা পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এসআইআরের শুনানি নোটিশ পাওয়ার পর তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত। এই ঘটনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে দায়ী করে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এবার এফআইআর গ্রহণ করা পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যায় না। লোকপাল আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং প্রমাণ থাকলে এফআইআর দায়ের করা যায়। এই আবহে কোন প্রমাণের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ? এই পরিস্থিতিতে এফআইআর খারিজের আবেদন করা হবে কমিশনের তরফে। এদিকে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে পালটা এফআইআর করা হতে পারে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, আইন ভেঙে এফআইআর দায়ের হলে পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুলিয়ায় ৮২ বছর বয়সি দুর্জন মাঝিকে সোমবার শুনানির জন্য তলব করা হয়েছিল। তাঁর ছেলে কানাই মাঝি অভিযোগ করেছেন যে তার বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল তবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা ২০০২ সালের তালিতায় বাবার নাম অনুপস্থিত ছিল। এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে সংকট দেখে এতটাই বিচলিত হয়ে পড়েন যে শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। এছাড়া হাওড়ায় ৬৪ বছর বয়সি জামায়াত আলি শেখ সোমবার নোটিশ পাওয়ার পরপরই মারা যান। তাঁর ছেলেও অভিযোগ করেন, সিইসি ও সিইও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাবাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন, তাই তাঁর মৃত্যু হয়। এদিকে ৭৫ বছর বয়সি বিমল শিকের মৃত্যু হয় পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর বাড়িতেই। তাঁর মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের মতে, শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর তারা খুব নার্ভাস এবং গভীর চাপের মধ্যে ছিলেন।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাদের রেকর্ড রয়েছে কিন্তু অনলাইন ডেটাবেসে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তা দেখা যাচ্ছে না, তাগের শুনানিতে হাজির হওয়ার প্রয়োজন নেই। তা সত্ত্বেও অনেক জেলায় প্রবীণদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যার জেরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্য এভাবে বয়স্কদের 'শাস্তি' দেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন। তবে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সি এবং প্রতিবন্ধী ভোটারদের আর শুনানি কেন্দ্রে যেতে হবে না। এই ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


