FIR against Govt Employees: পঞ্চায়েত, খাদ্য, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ
অভিযোগ, পঞ্চায়েত, খাদ্য এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যের তিনটি দপ্তরের একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হল রিপোর্টে। অভিযোগ, পঞ্চায়েত, খাদ্য এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে পালাবদলের পরপরই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বহু আমলা এবং আধিকারিদের বদলি করা হয়েছিল। যে সব অবসরপ্রপ্ত আধিকারিকদের এক্সটেনশন দিয়ে কাজে বহাল রাখা হয়েছিল, তাঁদেরও ছাঁটাই করা হয়েছিল। এবার দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হল।

জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা, কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করার ঘটনায় প্রশাসনিক স্তরে কারা যুক্ত ছিলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেসব সরকারি আধিকারিক বা পঞ্চায়েত স্তরের কর্মীরা যাচাই না করেই অনুমোদন দিয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য দপ্তরের ক্ষেত্রেও রেশন দুর্নীতির অভিযোগে কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মৃত ব্যক্তি বা ভুয়ো রেশন কার্ডের নামে খাদ্যসামগ্রী তুলে তা বাজারে পাচারের অভিযোগ। এই চক্রে যুক্ত দপ্তরের ইনস্পেক্টর ও আধিকারিকদেরও চিহ্নিত করে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ।
এছাড়া ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পে নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার, কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে সরকারি টাকা তছরুপের অভিযোগও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের পাশাপাশি যেসব ইঞ্জিনিয়ার ও অফিসার বিল পাশ করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, সাধারণ বিভাগীয় তদন্ত বা সাসপেনশনের বদলে সরাসরি এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্ত রাজ্যের নতুন প্রশাসনের কড়া অবস্থানেরই ইঙ্গিত। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


