Abhishek-Sayani Flat: ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোডে এক ফ্ল্যাটের যৌথ মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষ, দাবি রিপোর্টে
সেভেন ট্যাঙ্ক রোড-এর একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিকানা নিয়ে সম্প্রতি জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই ঠিকানার সম্পত্তির মালিক হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এবং নথি অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটির যৌথ মালিকানা (জয়েন্ট প্রোপাইটার) রয়েছে নেত্রী সায়নী ঘোষের নামে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিক হিসেবে নাকি নাম রয়েছে সায়নী ঘোষের। খবরের চ্যানেল জি ২৪ ঘণ্টার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোড-এর একটি ফ্ল্যাটের যৌথ মালিকানা রয়েছে অভিষেক এবং সায়নী ঘোষের। এই নিয়ে নিয়ে সম্প্রতি জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখিত ঠিকানার সম্পত্তির মালিক হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এবং নথি অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটির যৌথ মালিকানা (জয়েন্ট প্রোপাইটার) রয়েছে নেত্রী সায়নী ঘোষের নামে। এই সংক্রান্ত একটি নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে (যদিও সেই নোটিসের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি হিন্দুস্তান টাইমস)। এই আবহে প্রশ্ন উঠে এসেছে, এই 'সায়নী ঘোষ' কি তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ? অবশ্য, তৃণমূল দাবি করেছে, এই ভাইরাল নোটিসটি ভুয়ো।

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে নোটিস পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর বাড়ির সব নির্মাণ বৈধ কি না, তা জানতে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই আবহে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে পুরসভায় হাজির হতে বলা হয়েছে অভিষেককে। বিল্ডিং বিভাগের আইনের ৪০১ ধারায় এই নোটিসটি পাঠানো হয়েছে। এর আগে সম্প্রতি ফলতায় প্রচারে গিয়ে অভিষেকের সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তোপ দেগেছিলেন। এরপরই কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে অভিষেকের কাছে গেল নোটিস। জানা গিয়েছে, হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি ছাড়াও কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল ভবন নিয়েও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও ১৫টি সম্পত্তিতে এই ধরনের নোটিস পাঠানো হয়েছে। তারই মধ্যে রয়েছে সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের সেই ফ্ল্যাটটি।
কী বলা হয়েছে পুরসভার সেই নোটিসে? সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলি অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান মেনে তৈরি করা হয়েছে কি না, বা অতিরিক্ত কোনও নির্মাণের ক্ষেত্রে তা রেগুলারাইজ করানো হয়েছিল কি না, তা যাচাই করতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসতেই বেআইনি নির্মাণ রোধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার। তিলজলা কাণ্ডের পরে রাজ্যের বহু জায়গায় বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে কলকাতা পুরসভা আবার তৃণমূল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে। আর বিল্ডিং বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেককে কলকাতা পুরসভার পাঠানো নোটিস ঘিরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
মঙ্গলবার কালীঘাটে দলের নবনির্বাচিত ও বিদায়ী বিধায়কদের নিয়ে এক জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলতার নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে এই বৈঠকেই নিজের বাড়ি ভাঙার নোটিস নিয়ে প্রথমবার সোচ্চার হন অভিষেক। রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ক্ষোভ উগরে দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ সাফ জানান, ‘ওরা যা খুশি করুক। আমার বাড়ি ভেঙে দিক, নোটিস পাঠাক। আমি এসবের কাছে কোনও অবস্থাতেই মাথা নত করব না।’
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


