Mamata Banerjee: SIRর গুচ্ছ গুচ্ছ ‘ফর্ম৭’ বোঝাই গাড়ি উদ্ধার বাঁকুড়ায়! ক্ষুব্ধ মমতা বললেন…
ঠিক কী ঘটেছে বাঁকুড়ায়?
বাঁকুড়ার খাতড়ায় এদিন একটি গাড়িতে গুচ্ছ গুচ্ছ এসআইআর ফর্ম-৭ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে একটি ফর্মের ছবি তুলে ধরে মমতা বলেন,'একটা ছবি দেখাচ্ছি। গাড়িতে করে প্রায় ১০ হাজার ফর্ম নিয়ে গিয়েছে ডিলিট করার জন্য।' একইসঙ্গে মমতার বার্তা,'..ফাইলের পরে ফাইল, বস্তা বস্তা কাগজ। এগুলো মানুষের অধিকার চুরি নয়?' রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন,স 'তথ্য চুরি করছে, গণতন্ত্র চুরি করছে। মানুষকে বাঁচতে দিচ্ছে না। জীবিতকে মৃত বলে দিচ্ছে।'

এদিকে, ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্য উঠে এসেছে বিজেপির তরফেও। এর আগে, বাঁকুড়ার খাতড়ায় ওই গাড়িকে আটক করেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। গাড়িটি ছাড়াও ২ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে সেই আটক দুই ব্যক্তি ও গাড়িকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে দুপুর ১ টা নাগাদ। খাতড়া সিনেমা রোড এলাকায় গাড়িটিকে আটক করে খাতড়া পুলিশের হাতে তুলে দেন একদল তৃণমূল কর্মী। তৃণমূলের দাবি, গাড়ির সঙ্গে যে দুজনকে উদ্ধার করা গিয়েছে, তাঁরা বিজেপি সদস্য। অভিযোগ তুলে, রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি-সহ তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিতে বিজেপি এই ফর্মগুলি নিয়ে যাচ্ছিল। প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় কোনও নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করা বা মৃত বা স্থানান্তর হওয়া ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে ব্যবহৃত হয় এই ফর্ম। আর সেই ফর্ম-৭ উদ্ধার হওয়া ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে।
ঘটনা ঘিরে জ্যোৎস্না মান্ডি বলেন,' উদ্দেশ্য একটাই, বৈধ ভোটারদের নাম যেনতেন প্রকারেণ বাদ দেওয়া। তৃণমূলকর্মীরা সেই চক্রান্ত রুখে দিয়েছেন।' এদিকে, বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ঘটনার ভুল ব্যখ্যা দিচ্ছে। বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, ‘আমাদের যে বিএলএ-রা বিএলও-দের কাছে ‘ফর্ম-৭’ জমা দিতে পারেননি, তাঁরা ফর্মগুলি একত্রিত করে গাড়ি করে এইআরও-র কাছে জমা দিতে যাচ্ছিলেন।’ আপাতত গোটা ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


