বড় উদ্যোগ রাজ্যের! বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে শুরু টিকাকরণ, এক নজরে পুরো তালিকা

সংশ্লিষ্ট জেলার বেসরকারি হাসপাতালকে লিখিত আবেদন করতে হবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে। আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে অনুমোদন দেবে স্বাস্থ্য দফতর।

Published on: Mar 06, 2026 11:05 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজ্যে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে বড় উদ্যোগ নিল স্বাস্থ্য দফতর। এবার সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিতেও মিলবে বিনামূল্যের সরকারি টিকা। ইউআইপি বা ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সাল ইমিউনিজেশন প্রোগ্রামের অধীনে বিনামূল্যে শিশুদের টিবি, ডিপথেরিয়া, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, রুবেল্লা, মিজলসের মতো ১২টি অসুখের টিকাকরণ করা হয়। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এই ভ্যাকসিনগুলি বিনামূল্যে মেলে। এবার বেসরকারি হাসপাতালেও বিনামূল্যে দেওয়া হবে এই ভ্যাকসিন।

বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে শুরু টিকাকরণ (Representative Image)
বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে শুরু টিকাকরণ (Representative Image)

কোন কোন বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মিলবে টিকা?

সংশ্লিষ্ট জেলার বেসরকারি হাসপাতালকে লিখিত আবেদন করতে হবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে। আবেদনপত্র খতিয়ে দেখে অনুমোদন দেবে স্বাস্থ্য দফতর। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. অনির্বাণ দলুই জানিয়েছেন, বেসরকারি বড় হাসপাতাল ছাড়াও অন্য অনেক ছোটখাটো হাসপাতালে সরকারি টিকাদান প্রোগ্রাম চলতে পারে। নয়া এই নির্দেশ ভুলত্রুটি এড়াতে সাহায্য করবে। নয়া নির্দেশিকায় অগ্রাধিকার পেয়েছে শিশুদের সুরক্ষা। ডা. অনির্বাণ দলুই জানিয়েছেন, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মোকাবিলা এবার আরও জোরদার হবে।

কী কী নিয়ম মানতে হবে?

বিশেষ এসওপি জারি করে স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালকে টিকাকরণের জন্য একটি ওয়েটিং এরিয়া একটি টিকাকরণ কেন্দ্র তৈরি করতে বলা হয়েছে। টিকা দেওয়ার পর টিকা পরবর্তী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রও তৈরি রাখতে হবে। টিকাকরণ কেন্দ্রের পাশে তৈরি রাখতে হবে স্তনপান করানোর আলাদা জায়গা। যাতে সদ্যোজাতকে নিয়ে প্রসূতি কোনও বিড়ম্বনায় না পড়েন। যে কোনও বেসরকারি হাসপাতাল সপ্তাহে সর্বোচ্চ দু'দিন টিকাকরণ সেশন করতে পারবে। সাধারণত বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই সেশন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত দিন নির্ধারণ হবে সংশ্লিষ্ট জেলার চিফ মেডিক্যাল অফিসার অফ হেলথ-এর সঙ্গে আলোচনা করে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের দায়িত্ব তদারকি করবেন।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠান উপকারভোগীর কাছ থেকে এই টিকার জন্য কোনও অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না। ইতিমধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে বিস্তারিত নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলিতেও এই টিকাকরণ পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষণ শেষ হলে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণ কার্যক্রম কার্যকর করা হবে।