Madhyamik Admit Card for SIR hearing: এসআইআরে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড দিয়েছেন? ফের শুনানিতে ডাকবে? ধন্দ কাটাল কমিশন

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড দিয়েছেন? ফের শুনানিতে ডাকবে? পুরো বিষয়টি নিয়ে ধন্দ কাটিয়ে জানাল নির্বাচন কমিশন।

Published on: Jan 16, 2026, 23:54:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এসআইআরের শুনানিতে শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন? তাহলে আবারও যেতে হবে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানি প্রক্রিয়ায় ডাক পড়বে। নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এসআইআরের শুনানিতে ডাক পড়ার পরে কেউ প্রামাণ্য নথি হিসেবে যদি শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড দিয়ে থাকেন, তাহলে সেটি বৈধ বলে বিবেচিত হবে না। তাঁকে ফের শুনানিতে ডাকা হবে বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

এসআইআরের শুনানিতে শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিলে ফের ডাক পড়বে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
এসআইআরের শুনানিতে শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিলে ফের ডাক পড়বে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

আর মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড যে এসআইআরের ক্ষেত্রে বৈধ নথি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না, সেই মর্মে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে বিচার করা হবে না। কারণ প্রাথমিকভাবে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল, তাতে বৈধ নথির তালিকায় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ছিল না। সেই পরিস্থিতিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথির তকমা দিল না কমিশন।

কোন কোন নথি বৈধ বলে বিবেচনা করা হবে?

১) যে কোনও পরিচয়পত্র বা পেনশন পেমেন্ট অর্ডার যেটি কেন্দ্রীয় সরকার/ রাজ্য সরকার বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার যে কোনও নিয়মিত কর্মী বা পেনশনপ্রাপককে দেওয়া হয়েছে।

২) যে কোনও পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র বা নথি, যেটি ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর বা ভারতীয় জীবনবিমা নিগম বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত।

৩) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত জন্মের শংসাপত্র।

৪) পাসপোর্ট।

৫) স্বীকৃত পর্ষদ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ম্যাট্রিকুলেশন/ শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।

৬) রাজ্যের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত স্থায়ী বাসস্থানের শংসাপত্র।

৭.) বনভূমি অধিকার শংসাপত্র।

৮) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অন্যান্য অনগ্রসর সম্প্রদায় বা তফসিলি জাতি বা তফসিলি উপজাতি বা অন্যান্য অনগ্রসর জাতির শংসাপত্র।

৯) নাগরিকদের জাতীয় রেজিস্টার (যে সমস্ত ক্ষেত্রে এটা রয়েছে)।

১০) রাজ্য বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি পারিবারিক রেজিস্টার।

১১) কোনও জমি/ বাড়ি বরাদ্দের সরকারি শংসাপত্র।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More