Gosaba TMC In-fight: গোসাবায় শুরু তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতে না হতেই সংঘর্ষ
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আক্রান্ত হয়েছেন বিপ্রদাসপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের অনুগামীরা। অনুগামীদের বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তৃণমূল কংগ্রেসেরই উপপ্রধান আজমিরা মিদ্যা নিজেও।
প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা হতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গিয়েছে জায়গায় জায়গায়। এই আবহে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল গোসাবা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিপ্রদাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আক্রান্ত হয়েছেন বিপ্রদাসপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের অনুগামীরা। অনুগামীদের বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তৃণমূল কংগ্রেসেরই উপপ্রধান আজমিরা মিদ্যা নিজেও।

আক্রান্ত উপপ্রধানের অভিযোগ, বিপ্রদাসপুর পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী অমরেশ মণ্ডলের নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। তিনি বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের অনুগামী। আজমিরা মিদ্যার দাবি, সুব্রত মণ্ডলের অনুগামী শফিকুল গাজী, রফিকুল গাজী, সেলিম মোল্লা, মধুসূদন বর্মণ, প্রদীপ হালদার, শফিক মিদ্যা, আজিজুল সর্দার, ইয়াকুব পিয়াদারা এই হামলা চালায়। এই হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন সাকিব মোল্লা, আলাউদ্দিন মোল্লা এবং সাজান পিয়াদা।
এদিকে এই সংঘর্ষের পর থেকেই এলাকায় পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। এই ঘটনায় অবশ্য কাউকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭ মার্চ ইফতার সেরে বেরোনোর সময় উপপ্রধানের অনুগামীদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষে জখমদের গোসাবা ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে বর্তমানে তাঁরা চিকিৎসাধীন।
উল্লেখ্য, এই গোসাবা কেন্দ্রে গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়েছিল ৫৩.৯৯ শতাংশ ভোট পেয়ে। সেবার বিজেপি এই আসনে পেয়েছিল ৪২.৮৮ শতাংশ ভোট। এরপর ২০২১ সালেই এই আসনে উপনির্বাচন হয় প্রাক্তন বিধায়কের মৃত্যুতে। সেই নির্বাচনে তৃণমূল ৮৭.১৯ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিল। বিজেপির ঝুলিতে এসেছিল মাত্র ৯.৯৫ শতাংশ ভোট।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


