Haldia Naval Base: বাংলাদেশকে ঘিরে ৪ সেনা গ্যারিসনের পর হলদিয়ায় নৌসেনা ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা ভারতের
১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী মোতায়েন রাখা হবে হলদিয়ার নৌঘাঁটিতে। সবমিলিয়ে ১০০ জনের মত নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন।
সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতার কাছে হলদিয়ায় ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা করছে ভারতীয় নৌসেনা। ইতিমধ্যেই সেই ঘাঁটি তৈরির জন্য অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী এখানে মোতায়েন থাকবে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের পরে গতবছর প্রথমবারের মত বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছায় পাকিস্তানি রণতরী। পাক নৌসেনা প্রধান ছিলেন সেই জাহাজে। এই আবহে বাংলাদেশের পাক প্রীতির মাঝেই হলদিয়ার নৌঘাঁটি স্থাপনের তোড়জোড়।

বাংলাদেশকে ঘিরে ধরে ভারত ইতিমধ্যেই একাধিক সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে। এর মধ্যে তিনটি হবে চিকেনস নেক এলাকার ধুবড়ি, চোপড়া এবং কিষাণগঞ্জ এলাকায়, একটি হবে উত্তরপূর্বের মিজোরামে। আর এরই মাঝে হলিদাতেও নৌঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১০০ জনের মত নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে ৫০০ কিমি এলাকা জুড়ে নোটাম জারি করা হল আগামী ১২ এবং ১৩ জানুয়ারির সময়কালে। ১২ তারিখ ভোররাত ২টো থেকে ১৩ তারিখ সকাল ৯টা পর্যন্ত এই নোটাম জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই সময়কালে ওই নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে বিমান চলাচলে নিষিদেধাজ্ঞা জারি করাহ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই নোটাম জারি করা হয়েছে ৫০০ কিমি দীর্ঘ এলাকা জুড়ে। বিশাখাপত্তপনমের থেকে এই নোটাম জারি করা হয়েছে। এই আবহে অনুমান করা হচ্ছে, নৌসেনার কোনও মিসাইল লঞ্চের পরীক্ষা করা হতে পারে।
এর আগে ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে বঙ্গোপসাগরে পিনাকা দূরপাল্লার মিসাইলের সফল পরীক্ষা করা হয় ২৯ ডিসেম্বর। জানা যায়, বছর শেষে কক্সবাজার এবং হাতিয়ারের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার জন্য ২ দিনের জন্য সতর্কতা জারি করেছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের নৌবাহিনী রুটিন মহড়ার জন্যই সতর্কতা জারি করেছিল। সেই সময়কালের মধ্যেই ভারত এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেণ করেছিল। তার আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সাবমেরিন থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করে ভারত। জানা গিয়েছে কালাম ৪ সিরিজের পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালায় ডিআরডিও। সেই মিসাইলের রেঞ্জ প্রায় ৩৫০০ কিলোমিটার।












