Bangladeshi infiltrator: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য জেলায় জেলায় তৈরি হবে বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার, নির্দেশ স্বরাষ্ট্র দফতরের

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি, রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিচয় যাচাই, আইনি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে তাঁদের রাখা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published on: May 24, 2026, 13:32:49 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের নতুন নির্দেশ ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা। সূত্রের খবর, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিচয় যাচাই, আইনি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে তাঁদের রাখা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি, রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (@AmitShah)
অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশি, রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (@AmitShah)

স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশে বলা হয়েছে, যাঁদের বৈধ নথিপত্র নেই বা যাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের চিহ্নিত করার পর সরাসরি জেলে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। সেখানে নিরাপত্তা, নজরদারি এবং তথ্য যাচাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও প্রশাসনিক সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হবে।

প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকা এবং কলকাতা সহ কিছু শহরে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি নিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেই কারণেই এবার আরও সংগঠিতভাবে নজরদারি ও আটকের প্রক্রিয়া চালু করতে চাইছে কেন্দ্র।

যদিও এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিতর্কও শুরু হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির একাংশের দাবি, প্রকৃত শরণার্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আলাদা করে চিহ্নিত করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে আটক করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে বলেও তাঁদের আশঙ্কা। এদিকে রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া অবস্থানের পক্ষে সওয়াল করা হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More