BJP Worker Murder: আবীর খেলার পরে মারধরের অভিযোগ, হাওড়ায় খুন বিজেপি কর্মী
মৃত বিজেপি কর্মীর নাম যাদব বর। উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ মানশ্রী রামচক গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিজেপির বিপুল জয়ে আবীর খেলায় মেতেছিলেন যদব। তারপরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে নাকি তাঁর ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।
হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে খুন বিজেপি কর্মী। গতরাতে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম যাদব বর। উদয়নারায়ণপুরের দক্ষিণ মানশ্রী রামচক গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিজেপির বিপুল জয়ে আবীর খেলায় মেতেছিলেন যদব। তারপরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে নাকি তাঁর ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে উদয়নারাণপুর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি সমর্থকরা মাঠে বসে দলের জয় উদযাপন করছিলেন। পরে রাতে বাড়ি ফেরার পথে মুখ চেপে তাঁকে টেনে নিয়ে যায় তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারা হয় যাদবকে। তারপর তাঁর দেহ নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়।
২০২৬ সালের নির্বাচন চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক কর্মী খুন হননি। তবে ভোটের ফল প্রকাশের পরই দিকে দিকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বহু জায়গায় তৃণমূল অফিসে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই আবহে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয় কলকাতাতে। জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিশ্বজিৎ পট্টানায়ক। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট। বিশ্বজিতের পরিবার জানায়, ভোট গণনার দিন সারাদিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। তবে সন্ধ্যা নাগাদ ফোন পেয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় বাড়ির সামনে থেকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ একটা ফোন পান বিশ্বজিৎ। এরপর তিনি বেরিয়ে যান বাড়ি থেকে। এরপর থেকে আর তাঁকে ফোনে পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। পরে বাড়ির লোক তাঁকে খুজতে বের হতেই দেখে দরজার সামনে পড়ে বিশ্বজিতের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বিশ্বজিতের ফোন তাঁর পকেটে পাওয়া যায়। সেই ফোনটি ভাঙা ছিল। এই ঘটনায় বেলেঘাটা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিবার নির্দিষ্ট ভাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি। তবে তাদের বক্তব্য, যেহেতু তৃণমূলের কর্মী হিসেবে কাজ করতেন বিশ্বজিৎ, তাই এটা রাজনৈতিক খুন বলে দাবি করছেন তারা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


