Smriti Mandhana on Richa Ghosh: 'রিচার ব্যাটিং দেখে মারাত্মক ডিপ্রেশনে ভুগি, এই মেয়েটা….', দাবি স্মৃতি মন্ধানার

ভারতীয় দলের পাশাপাশি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে একইসঙ্গে খেলেন স্মৃতি মন্ধানা এবং রিচা ঘোষ। দিনকয়েক আগে স্মৃতির সামনেই ৫০ বলে ৯০ রান করেছেন রিচা। তারপরও কেন রিচার ব্যাটিং দেখে ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকেন আরসিবি অধিনায়ক?

Published on: Feb 1, 2026, 10:57:30 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

‘ছক্কা স্পেশালিস্ট’ রিচা ঘোষকে ব্যাট করতে দেখলেই ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকেন স্মৃতি মন্ধানা। আর কী কারণে শিলিগুড়ির মেয়ের ব্যাটিং দেখে অবসাদে ভোগেন, সেটার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার তথা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) অধিনায়ক। মজার ছেলে স্মৃতি দাবি করেছেন, ছক্কা মারার জন্য তাঁকে অনেক কসরত করতে হয়। ভেবেচিন্তে মারতে হয় ছক্কা। কারণ বলটা ব্যাটের মাঝ বরাবর না লাগলে আউট হয়ে যাবেন। কিন্তু রিচার ক্ষেত্রে সেইসবের বালাই নেই। রিচা এত দুর্ধর্ষ পাওয়ার হিটার যে ব্যাটের কাণায় লেগেও ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতা আছে। আর সেটা দেখেই অবসাদে ভোগেন বলে দাবি করেন স্মৃতি।

রিচা ঘোষের সঙ্গে স্মৃতি মন্ধানা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
রিচা ঘোষের সঙ্গে স্মৃতি মন্ধানা। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

ছক্কা মারা আমার সহজাত বৈশিষ্ট্য ছিল না, দাবি স্মৃতির

আর তিনি সেইসব কথা বলেছেন আরসিবির পডকাস্টে। উইমেন্স প্রিমিয়র লিগের (WPL) মধ্যেই আরসিবি পডকাস্টে নিজের ব্যাটিংয়ের ধরন, অনুশীলনের ধরন, আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে কথা বলতে থাকেন স্মৃতি। সেই রেশ ধরেই তিনি বলতে থাকেন, ‘ছক্কা মারা আমার খেলার সহজাত বৈশিষ্ট্য ছিল না। কিন্তু সেটা নিয়ে আমি অনেক খেটেছি। যেভাবে আমি ব্যাট করি, তা অনেক কিছু পরিবর্তন করেছি। এখনও সেই প্রক্রিয়াটা চলছে। অনেক কিছু করছি, কারণ আগামী ছয় মাসে প্রচুর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে। পাওয়ার ট্রেনিং (করি)। কখনও কখনও মিসটাইম করা শটও ছক্কা হয়ে যায়। সেটা ব্যাটিংয়ের জন্য হয় না। বরং জিম করার জন্য হয়।’

'রিচার ব্যাটিং দেখে মারাত্মক ডিপ্রেশনে ভুগি'

সেই প্রসঙ্গে ভারতীয় দল এবং আরসিবিতে স্মৃতির সতীর্থ রিচার কথা বলেন সঞ্চালক মায়ান্তি ল্যাঙ্গার। আর রিচার নাম শুনেই মজার ছলে আরসিবি অধিনায়ক বলতে থাকেন, ‘আমি রিচা আর ওর পাওয়ার হিটিং নিয়ে কথা বলতে পারব না। ওকে দেখে মারাত্মক হতাশায় (ডিপ্রেশন) ভুগি। আমি ওর খেলা দেখতে পারি না। এটা মোটেও বাজেভাবে (নেতিবাচকভাবে) বলছি না। অত্যন্ত ভালোভাবেই (ইতিবাচকভাবে) বলছি। যখন আপনি এরকম কাউকে দেখেন, আর নিজের দিকে তাকান, তখন মনে হয়, আমায় প্রতিটা বল ব্যাটের মাঝখান দিয়ে খেলতে হবে।’

'ওই মেয়েটা স্পেশাল, আলাদাই প্রতিভা', রিচার প্রশংসায় স্মৃতি

সেইসঙ্গে হাসতে-হাসতে স্মৃতি বলেন, ‘ছক্কা হওয়ার জন্য আমার প্রতিটা বলে ভালো টাইমিং করতে হবে। ওই মেয়েটার মিসটাইমেও ছক্কা হয়ে যায়। কিন্তু ও স্পেশাল। তাই আমি এটা ভেবে নিয়েছি যে ও স্পেশাল। ও আলাদাই প্রতিভা। ওর খেলা আমি দেখব না। কারণ কখনও কখনও নেটেও ওর ব্যাটিং দেখা চূড়ান্ত অবসাদের হয়ে দাঁড়ায়। আমিও ওরকমভাবে ব্যাট করতে চাই। কিন্তু পারি না। আমি ব্যাপারটা মেনে নিয়েছি (যে রিচা স্পেশাল)। আমি যেমনটা পারি, সেরকমভাবেই ব্যাট করব বাবা।’

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More