Imam-Priest Allowance: ধর্মভিত্তিক সব ভাতায় ইতি, জুন থেকে আর আর্থিক সহায়তা পাবেন না ইমাম-মোয়াজ্জেম-পুরোহিতরা

মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ধর্মীয় শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় যে সমস্ত সহায়তামূলক প্রকল্প চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Published on: May 18, 2026 2:22 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজ্যে ধর্ম ও শ্রেণিভিত্তিক বিভিন্ন ভাতা ও সহায়তামূলক প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানান, চলতি মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পগুলির সুবিধা মিললেও আগামী মাস থেকে তা আর চালু থাকবে না।

র্মীয় শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় যে সমস্ত সহায়তামূলক প্রকল্প চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। (PTI)
র্মীয় শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় যে সমস্ত সহায়তামূলক প্রকল্প চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। (PTI)

মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ধর্মীয় শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় যে সমস্ত সহায়তামূলক প্রকল্প চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে কোনও স্কলরশিপ বন্ধ করা হবে না বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।

সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চালু হওয়া ইমাম, মোয়াজ্জেম এবং পুরোহিত ভাতাও বন্ধ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের প্রকল্পকে 'তোষণের রাজনীতি' বলে সমালোচনা করে এসেছে। বিজেপির অভিযোগ ছিল, আগের সরকার বিভিন্ন ভাতাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমান সরকার সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেই দাবি শাসকদলের। তাই ধর্মভিত্তিক সমস্ত সহায়তা প্রকল্প বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে ধর্মের ভিত্তিতে এই ভাতা বন্ধ করলেও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা করেন অগ্নিমিত্রা। ক্যাবিনেট বৈঠকের পরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, 'যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁদেরই নাম অন্নপূর্ণ ভাণ্ডার প্রকল্পে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হবে। তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। তবে যাঁরা এত দিন পাননি, তাঁরা এবার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য শীঘ্রই পোর্টাল খোলা হবে।' তিনি আরও জানান, যাঁরা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন বা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, তাঁরাও অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবেন।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More