কয়েকশো কোটির সাইবার প্রতারণার টাকার হদিশ অ্যাকাউন্টে… নাম উঠল রাজ্যের তাবড় শিল্পপতির? বিস্ফোরক রিপোর্ট কী বলছে?

সাইবার অপরাধ ঘিরে ক্রমেই তৎপরতা বাড়িয়েছে দেশের নানান প্রান্তের পুলিশ।

Published on: Nov 10, 2025, 19:38:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দেশের নানান প্রান্তে প্রায়সই সাইবার প্রতারণা চক্রের খপ্পড়ে সাধারণ মানুষের পড়ার ঘটনা শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে, পুলিশের সাইবার ক্রাইম দফতরও বেশ তৎপরতার সঙ্গে চক্রের হদিশের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে। এরই মাঝে এদিন মিডিয়া রিপোর্টে উঠে এল সাইবার প্রতারণার টাকার হদিশ ঘিরে রাজ্যের এক তাবড় শিল্পপতির নাম।

সাইবার প্রতারণা ঘিরে কী দাবি করছে রিপোর্ট?
সাইবার প্রতারণা ঘিরে কী দাবি করছে রিপোর্ট?

সাইবার প্রতারণা ঘিরে রাজ্য পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রাজ্যেরই এক তাবড় শিল্পপতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে বলে ‘আনন্দবাজার ডট কম’-র রিপোর্ট দাবি করেছে। জানা গিয়েছে ওই শিল্পপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে বহু ভুয়ো সংস্থা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই সমস্ত সংস্থার অ্যাকাউন্টে সাইবার প্রতারণার টাকা জমা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। টাকার অঙ্ক কম নয়! রিপোর্ট দাবি করছে, টাকার অঙ্ক ৩১৫ কোটি। দায়ের হয়েছে এফআইআর। প্রশ্ন উঠতেই পারে কীভাবে চলত এই প্রতারণা? জানা যাচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনলাইন বিনিয়োগে মোটা অঙ্কের রিটার্ন পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে চলত প্রতারণা। অন্তত অভিযোগ এমনটাই। এছাড়াও ডিজিটাল গ্রেফতারি সহ অন্যান্য সাইবার অপরাধের অভিযোগও রয়েছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়, ওই শিল্পপতির সঙ্গে সম্পর্কিত ভুয়ো সংস্থাগুলির নামে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১৩৭৯টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গোটা বিষয় নিয়ে শুক্রবারই ওই শিল্পপতির বাড়ি পৌঁছন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, তাবড় ওই শিল্পপতি সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ পর্দাফাঁস করেছে এক সাইবার প্রতারণার, যোগ দুবাইতে!

দিল্লি পুলিশ ভারতজুড়ে পরিচালিত একাধিক সাইবার জালিয়াতি সিন্ডিকেট ফাঁস করেছে। বড় আকারের ডিজিটাল গ্রেফতার এবং বিনিয়োগ জালিয়াতির চক্রের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং দুবাই ভিত্তিক হ্যান্ডলারদের সাথে যুক্ত ৫ কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেইল উন্মোচন করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তরাখণ্ডে একাধিক রাজ্য অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ল্যাপটপ, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, চেক বই এবং অন্যান্য অপরাধমূলক উপাদান উদ্ধার করা হয়। দিল্লি পুলিশের পর পর পদক্ষেপে দুবাইয়ের সুমিত গর্গ নামে এক হ্যান্ডলারের নাম উঠে এসেছে।

মহারাষ্ট্রে পুলিশের তৎপরতা!

এদিকে, মুম্বইয়ের এক ব্যক্তির ৫৮ কোটি টাকার ডিজিটাল অ্যারেস্ট ঘিরে প্রতারণার কেসে তদন্ত করতে নেমে মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ হদিশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক চক্রের। এই চক্র, হংকং, চিন, ইন্দোনেশিয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে, বলে জানা গিয়েছে।