SIR hearing Rule: প্রসঙ্গে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট! এসআইআর শুনানির শেষলগ্নে নিয়মে বড় বদল কমিশনের
নির্বাচন কমিশনের তরফে শনিবার এক বার্তায় বলা হয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির মধ্যে ধার্য হলেও, এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে।
এসআইআর-র শেষলগ্নে এসে নির্বাচন কমিশন জানাল কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির পাশাপাশি গণ্য হবে 'ডোমিসাইল সার্টিফিকেট' বা ‘পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট’। এসআইআর পর্বের শুনানির শেষ লগ্নে এসে এমনই বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের তরফে শনিবার এক বার্তায় বলা হয়েছে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট কমিশনের নির্ধারিত ১১ নথির মধ্যে ধার্য হলেও, এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের সই সম্বলিত সার্টিফিকেটই একমাত্র গৃহীত হবে। সার্টিফিকেটে অন্য কারোর স্বাক্ষর থাকলে তা গৃহীত হবে না। প্রসঙ্গত, এসআইআর-এর সংশোধন পর্বে নির্বাচন কমিশনের নয়া এই নিয়ম, ভোটারদের কাছে স্বস্তির বার্তা এনে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলাশাসক, এসডিওদেরও এই সার্টিফিকেট দিতে দেখা গিয়েছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে পুরসভা থেকে সার্টিফিকেট ইস্যুর মতো ঘটনাও ঘটেছে। সেই জায়গা থেকে কার কার স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট ধার্য হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে কমিশন।
রিপোর্ট বলছে, কমিশন এও জানিয়েছে, তবে পরবর্তী কালে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর ক্ষেত্রে সেই সার্টিফিকেট গণ্য হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পার্মানেন্ট রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট’ কেন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না, তা জানতে চেয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে শুধুমাত্র বাংলার ক্ষেত্রেই এই আলাদা নিয়ম কেন? তারপর সুপ্রিম কোর্টেও পা রাখেন মমতা। তোলেন প্রশ্ন। এরপর এল নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বড় বার্তা।