West Bengal poll 2026: কড়া নজরদারিতে হাইভোল্টেজ লড়াই! বুথমুখী রাস্তাতেও সিসি ক্যামেরা, কলকাতায় বাইক বাহিনী

West Bengal poll 2026: মনোজ কুমার আগরওয়ালা জানিয়েছেন, বুথে বুথে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনার সময় এবং তার আগে ও পরের ফুটেজ দেখা হবে।

Published on: Apr 26, 2026, 21:19:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

West Bengal poll 2026: শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকাই নয়। এবার বুথ‌মুখী ১০০ মিটার রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা। এমনটাই জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালা। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এবার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। অন্যদিকে, আগামী বুধবার, দ্বিতীয় দফার ভোটে গোটা শহর জুড়েই টহল দেবে পুলিশ-আধাসেনার বাইক।

কড়া নজরদারিতে হাইভোল্টেজ লড়াই!
কড়া নজরদারিতে হাইভোল্টেজ লড়াই!

বুথ‌মুখী রাস্তায় সিসি ক্যামেরা

রবিবার সকালে কাকদ্বীপে পৌঁছন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে করে তিনি কাকদ্বীপের স্টিমারঘাটের হেলিপ্যাডে নামেন। সেখান থেকে সরাসরি কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে যান তিনি। সকাল ১০টা নাগাদ মহকুমা শাসকের দফতরে একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করাই ছিল বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন মনোজকুমার। বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম। ওঁদের আশঙ্কার কথা শুনলাম। রাজ্যে ভোট হবে অবাধ। ভুয়ো ভোট, হুমকি-এ সব হতে দেব না।’ তারপরেই ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আশ্বস্ত করছি, ভোট দিন। ভোটদানের হার যাতে ৯০ শতাংশের বেশি হয়, তা নিশ্চিত করুন। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার।’ সেই সঙ্গে সিইও জানিয়েছেন, ভোটদানে কেউ বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সব রাজনৈতিক দলকে সে কথা জানানো হয়েছে।

মনোজ কুমার আগরওয়ালা জানিয়েছেন, বুথে বুথে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনার সময় এবং তার আগে ও পরের ফুটেজ দেখা হবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। সেটি ‘সিএপিএফ এলাকা’ বলে চিহ্নিত করা হবে। ভোটকর্মীদের জন্য খাবার বা জল নিয়ে বুথে যেতে হলে ডিএমের ছাড়পত্র লাগবে।পাশাপাশি বুথের আশপাশে সরু গলিতে টহলের জন্য পুলিশ, সিএপিএফ বাইক চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। তা দেওয়া হয়েছে।

কলকাতায় বাইক বাহিনী

প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত গোলমাল ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভোটই হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। ভোটদানের হারেও বাংলা রেকর্ড গড়েছে দেশে। এই সব দিক নজরে রেখে দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হচ্ছে। সেই সূত্রেই কলকাতার পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ ভাবনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী বুধবার, দ্বিতীয় দফার ভোটে গোটা শহর জুড়েই টহল দেবে পুলিশ-আধাসেনার বাইক। কলকাতার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে রবিবার সমস্ত সিভিল সেক্টর অফিসার, পুলিশ সেক্টর অফিসার, জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার, স্পেশ্যাল অবজার্ভার, পুলিশের সিনিয়র আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিল কমিশন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কমিশনার অজয়কুমার নন্দও। বৈঠক পর নগরপাল জানান, বুথ ধরে ধরে যে সব পরিকল্পনা রয়েছে, কোথায় কত কুইক রেসপন্স টিম, কন্ট্রোল রয়েছে, অভিযোগ জানানোর কী ব্যবস্থা আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব কী কী, কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে কী করা হবে, এই সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

অজয় নন্দ জানান, কলকাতা জুড়ে মোট ১৬০টি বাইক টহল দেবে। এই কাজ পুলিশ এবং আধাসেনা মিলে করবে। পাশাপাশি, বুথে বুথে নজরদার ক্যামেরা থাকবে। বুথের পরিস্থিতি বুঝে আরও ক্যামেরা লাগানো হতে পারে। অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু কলকাতা নয়, সর্বত্রই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আরও কড়াকড়ি আনতে চাইছে কমিশন। কমিশন সূত্রেই খবর, স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি চালাতে দ্বিতীয় দফায় ড্রোনের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।