Howrah-Delhi Route Kavach Update: কলকাতা রুটে কবচ বসানোর ডেডলাইন ফের ফস্কাল রেল! কবে ‘পুরো সুরক্ষিত’ হবে ওই লাইন?
আবারও কলকাতা রুটে কবচের ডেডলাইন পূরণ করতে ব্যর্থ হল রেল মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নয়াদিল্লি-হাওড়া রুটে পুরোদমে কবচ প্রযুক্তি চালু করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল।
আবারও কলকাতা রুটে কবচের ডেডলাইন পূরণ করতে ব্যর্থ হল রেল মন্ত্রক। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নয়াদিল্লি-হাওড়া রুটে পুরোদমে কবচ প্রযুক্তি চালু করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মেরেকেটে এক-চতুর্থাংশ লাইনে সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে এবার নয়া ডেডলাইন স্থির করেছে রেল মন্ত্রক। ২০২৬ সালের মধ্যে সেই কাজটা সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। একইভাবে নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর ডেডলাইনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পরপর ২ বার ডেডলাইন ফস্কে দিল রেল
এমনিতে ২০২৪ সালের ৭ অগস্ট রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল যে ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যেই নয়াদিল্লি-হাওড়া এবং নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে কবচ প্রযুক্তি বসানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। তবে বাজেটের নথিতে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেই ডেডলাইন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো কাজ শেষ হয়ে যাবে।
প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবের মধ্যে অনেক ফারাক
বাস্তবে পুরো কাজ তো দূর অস্ত, নয়াদিল্লি-হাওড়া এবং নয়াদিল্লি-মুম্বই রুটে অর্ধেক অংশেও কবচ চালু করতে পারেনি রেল। আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মোটামুটি ২৫ শতাংশের মতো অংশে কবচ প্রযুক্তি পুরোপুরি যুক্ত করা গিয়েছে। আর ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি তৈরি আছে। বাকি অংশে অধিকাংশ যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ হয়ে গিয়েছে। আধিকারিকদের কথায়, 'মুম্বই-দিল্লি রুট এবং দিল্লি-কলকাতা রুটে কবচ চালু করার জন্য আমরা নিজেদের সবটা উজাড় করে দিচ্ছি। আশা করছি যে ২০২৬ সালের মধ্যে সেই কাজটা সম্পন্ন হয়ে যাবে।'
কবচ আসলে কী?
উল্লেখ্য, কবচ হল ভারতের দেশীয় প্রযুক্তি। যা অত্যন্ত প্রযুক্তি-নির্ভর অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম। ওই সিস্টেমের ফলে ট্রেন চলাচল অনেক বেশি সুরক্ষিত হয়ে যাবে। চালকদের ট্রেন চালানোর সময় পরামর্শ দেয়। যদি সেই শর্ত মেনে না চলেন লোকো পাইলট, তাহলে নিজে থেকেই ব্রেক কষে ট্রেন থামিয়ে দেয়। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কার্যত থাকে না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


