I-PAC money case: ‘১৬ কোটি টাকা ঢুকেছে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে, সরকারি কাজের বরাত পাওয়া সংস্থা দেয়’
কয়লা মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস এবং কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তারইমধ্যে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল।
কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের বরাত পেয়েছিল। সেই কোম্পানিই বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা ও ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১৬ কোটি টাকা দিয়েছিল। এমনই অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যে চেকের মাধ্যমে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে সেই অর্থ জমা পড়েছিল বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু, সেটার নম্বরও উল্লেখ করেছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা আইপ্যাক বা তৃণমূলের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাতে অবশ্য বিতর্ক থামেনি। বিশেষত কয়লা মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস এবং কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের মধ্যেই শুভেন্দুর অভিযোগ নিয়ে বাড়তি হইচই শুরু হয়েছে।

'জল জীবন মিশনের ৮০০০ কোটি টাকা চুরি হয়েছে'
শুক্রবার বিধানসভার বাইরে শুভেন্দু বলেন, ‘আমি একটা তথ্যপ্রমাণ দিচ্ছি। এই আইপ্যাক...আমাদের ভারত সরকারের যে জল জীবন মিশন, (তাতে) ৮,০০০ কোটি টাকা পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। চুরি হয়ে গিয়েছে পুরোটা। কোনও গ্রামের কলে জল নেই। আমি একটা তথ্যপ্রমাণ দিচ্ছি। এই আইপ্যাক...আমাদের ভারত সরকারের যে জল জীবন মিশন, (তাতে) ৮,০০০ কোটি টাকা পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। চুরি হয়ে গিয়েছে পুরোটা।’
চেক নম্বর ফাঁস শুভেন্দুর
তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশনের কাজের জন্য রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের থেকে ১৭৮ কোটি টাকার বরাত পেয়েছিল একটি সংস্থা। যে সংস্থা সেই বরাত পেয়েছিল, সেটি ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১৬ কোটি টাকা দিয়েছিল। চেক নম্বর হল ০০০১৭৩৯। তাছাড়াও দিল্লির আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে আইপ্যাক সরাসরি জড়িত আছে বলে অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।
'মুখ্যমন্ত্রীর ব্যথাটা কোথায় বুঝেছেন?', কটাক্ষ শুভেন্দুর
সেই রেশ ধরে শুভেন্দু বলেন, 'ব্যথাটা কোথায় বুঝেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর? যন্ত্রণাটা কোথায় বুঝেছেন? মুখ্যমন্ত্রী এরকম তড়িৎ গতিতে যান না। লক্ষ্মীপুজোর আগেরদিন বাঁধভাঙা (মেঘভাঙা) বৃষ্টিতে কলকাতা ভেসে গিয়েছে ১২ জন মারা গিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি থেকে বের হননি। উত্তরবঙ্গে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ৫০ জনের কাছাকাছি মারা গিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী কার্নিভাল-টার্নিভাল করে দু'দিন পরে গিয়েছিলেন।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এমন যন্ত্রণা...আইপ্যাক...বুঝেছেন তো? আর কী চাই। নথি দিয়ে গেলাম তো। এরপরও আজ চোরেদের পক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর মিছিল হবে।’












