I-PAC ₹13.5 Crore Loan Row: 'যে কোম্পানিই নেই, সেটির থেকে ১৩.৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল আইপ্যাক', বিস্ফোরক দাবি
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে, যে নামে কোনও সংস্থাই নেই, সেটি থেকে আইপ্যাক ১৩.৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করেছিল। বিষয়টি নিয়ে আপাতত আইপ্যাকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। প্রতীক জৈনও কোনও মন্তব্য করেননি।
যে নামে কোনও সংস্থাই নেই, সেটি থেকে আইপ্যাক ১৩.৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করেছিল বলে অভিযোগ উঠল। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির ফাইলিং থেকে উঠে এসেছে যে ২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বরের নথিতে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থা আইপ্যাকের তরফে জানানো হয়েছিল যে 'রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্ডিয়া (পি) লিমিটেড' নামে একটি সংস্থা থেকে বন্ধকহীন ঋণ পেয়েছে। কিন্তু রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির নথিতে ওই নামে কোনও সংস্থারই অস্তিত্ব নেই। শুধু তাই নয়, ওই সংস্থার ঠিকানা হিসেবে যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, সেখানে গিয়ে এমন কোনও কোম্পানিরই হদিশ মেলেনি বলে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
কাছাকাছি নামের একটি সংস্থা ছিল, কিন্তু…..
ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির নথি থেকে দেখা গিয়েছে যে আইপ্যাক যে সংস্থার থেকে ঋণ পেয়েছে বলে দাবি করেছিল, তার কাছাকাছি নামের একটি কোম্পানি ছিল। ২০১৩ সালের অক্টোবরে 'রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড' নামে একটি সংস্থা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ অগস্ট সেই সংস্থার নাম বাদ পড়েছিল। অর্থাৎ ঋণের বিষয়টি আইপ্যাক দেখানোর তিন বছর আগেই তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছিল ওই সংস্থার।
১ কোটি টাকা নাকি ফেরতও দিয়েছিল আইপ্যাক
শুধু তাই নয়, ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ জুন আরও একটি ডিক্ল্যারেশনে আইপ্যাক জানিয়েছিল যে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ঋণের এক কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে। বাকি পড়ে আছে ১২.৫ কোটি টাকা। যে সংস্থার ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়েছে, ‘তৃতীয় তল, অশোকা প্লাজা, দিল্লি রোড, রোহতক রোড, হরিয়ানা’।
আইপ্যাকের তরফে আপাতত কিছু বলা হয়নি
যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনকে ইমেল করা হয়েছিল। করা হয়েছিল ফোনও। কিন্তু তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফরিদাবাদে আইপ্যাকের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট পুনম চৌধুরীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তাঁর এক সহযোগী দাবি করেছেন, যে প্রশ্ন করা হয়েছে, তা আইপ্যাকের কর্ণধারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। উনি নিজেই জবাব দেবেন বলে দাবি করা হয়েছে।
News/Bengal/I-PAC ₹13.5 Crore Loan Row: 'যে কোম্পানিই নেই, সেটির থেকে ১৩.৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল আইপ্যাক', বিস্ফোরক দাবি