I-PAC ₹13.5 Crore Loan Row: 'যে কোম্পানিই নেই, সেটির থেকে ১৩.৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল আইপ্যাক', বিস্ফোরক দাবি

আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে, যে নামে কোনও সংস্থাই নেই, সেটি থেকে আইপ্যাক ১৩.৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করেছিল। বিষয়টি নিয়ে আপাতত আইপ্যাকের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। প্রতীক জৈনও কোনও মন্তব্য করেননি।

Published on: Jan 22, 2026, 13:46:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

যে নামে কোনও সংস্থাই নেই, সেটি থেকে আইপ্যাক ১৩.৫ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করেছিল বলে অভিযোগ উঠল। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির ফাইলিং থেকে উঠে এসেছে যে ২০২১ সালের ১৭ ডিসেম্বরের নথিতে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থা আইপ্যাকের তরফে জানানো হয়েছিল যে 'রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্ডিয়া (পি) লিমিটেড' নামে একটি সংস্থা থেকে বন্ধকহীন ঋণ পেয়েছে। কিন্তু রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির নথিতে ওই নামে কোনও সংস্থারই অস্তিত্ব নেই। শুধু তাই নয়, ওই সংস্থার ঠিকানা হিসেবে যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, সেখানে গিয়ে এমন কোনও কোম্পানিরই হদিশ মেলেনি বলে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

কাছাকাছি নামের একটি সংস্থা ছিল, কিন্তু…..

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানির নথি থেকে দেখা গিয়েছে যে আইপ্যাক যে সংস্থার থেকে ঋণ পেয়েছে বলে দাবি করেছিল, তার কাছাকাছি নামের একটি কোম্পানি ছিল। ২০১৩ সালের অক্টোবরে 'রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড' নামে একটি সংস্থা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ অগস্ট সেই সংস্থার নাম বাদ পড়েছিল। অর্থাৎ ঋণের বিষয়টি আইপ্যাক দেখানোর তিন বছর আগেই তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছিল ওই সংস্থার।

১ কোটি টাকা নাকি ফেরতও দিয়েছিল আইপ্যাক

শুধু তাই নয়, ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ জুন আরও একটি ডিক্ল্যারেশনে আইপ্যাক জানিয়েছিল যে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ঋণের এক কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে। বাকি পড়ে আছে ১২.৫ কোটি টাকা। যে সংস্থার ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়েছে, ‘তৃতীয় তল, অশোকা প্লাজা, দিল্লি রোড, রোহতক রোড, হরিয়ানা’।

আইপ্যাকের তরফে আপাতত কিছু বলা হয়নি

যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনকে ইমেল করা হয়েছিল। করা হয়েছিল ফোনও। কিন্তু তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফরিদাবাদে আইপ্যাকের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট পুনম চৌধুরীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তাঁর এক সহযোগী দাবি করেছেন, যে প্রশ্ন করা হয়েছে, তা আইপ্যাকের কর্ণধারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। উনি নিজেই জবাব দেবেন বলে দাবি করা হয়েছে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More