IPAC case hearing in SC: ইডির প্রস্তাবে রাজি রাজ্য, সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ মামলা ওঠে। তারপর সেই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। কী বলল ইডি ও রাজ্য?

Published on: Feb 03, 2026 11:37 AM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ মামলা ওঠার পরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সওয়াল করেন যে সোমবারই হলফনামা দাখিল করেছে রাজ্য সরকার। সেটা ভালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য সময় লাগবে। তাই কিছুটা সময় দেওয়া হোক। সেই প্রেক্ষিতে শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানতে চায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সম্মতি জানায় রাজ্য সরকার। সেই প্রেক্ষিতে আইপ্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। আবার আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সেই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের অফিসের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)
গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের অফিসের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)

গত জানুয়ারিতে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের কলকাতার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তল্লাশির মধ্যে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন নথি নিয়ে বেরিয়ে যান। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের গোপন নথি, সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকা নিতেই ইডি তল্লাশি চালাচ্ছিল। তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়।

আজ সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার শুনানির আগে কয়লা এবং বালি পাচার কাণ্ডে একযোগে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। সূত্রের খবর, কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোল জামুড়়িয়া-সহ বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। সবথেকে বড় ব্যাপার হল যে বুদবুদ থানা ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বারাবনি থানার ওসি থাকার সময় ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছিল। শুরু হয়েছিল বিভাগীয় তদন্তও। কয়েকদিন আগেই তাঁকে বুদবুদ থানার ওসির পদে বসানো হয়েছে। আর তারপরই ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে তাঁর বাড়িতে। সূত্রের খবর, কয়লাকাণ্ড নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে। পুরো বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বুদবুদ থানার ওসির বাড়ি ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমানের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সূত্রের খবর, সকাল-সকাল কলকাতা থেকে ইডির আধিকারিকরা জামুড়িয়ায় আসেন। সেখানে পঞ্জাবি মোড়ের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চলছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে তাঁর দুই ছেলের বাড়িতেও। তাছাড়াও পঞ্জাবি মোড়ের একটি গুদাম এবং হার্ডওয়্যার দোকানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেইসঙ্গে পান্ডবেশ্বরের নবগ্রাম এবং জামুড়িয়া হাটতলায় ইডির অভিযান চলছে বলে সূত্রের খবর।