ED on Kolkata I-PAC Raid: 'বেআইনিভাবে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নেন', আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি
নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেইসঙ্গে মমতার অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে।
নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেইসঙ্গে মমতার অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেক অফিসে তল্লাশি চালানোর মধ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, কয়লা পাচার মামলায় মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তার মধ্যে ছ'টি জায়গা পশ্চিমবঙ্গের। বাকি চারটি দিল্লিতে অবস্থিত। নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া মেনেই সব জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু দুটি জায়গায় সাংবিধানিক পদে থাকা মানুষজন বেআইনিভাবে ঢুকে পড়েন।

ক্ষমতার অপব্যবহার করেন মমতা, দাবি ইডির
ইডির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে (১০টির মধ্যে) দুটি জায়গায় সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি-সহ কয়েকজন বেআইনিভাবে ঢুকে পড়েন এবং নথি ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান।’ আর সেই ‘সাংবিধানিক পদে থাকা’ মানুষ বলতে ইডি যে আদতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার কথা বলেছেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই সংশ্লিষ্ট মহলের। সেই বিবৃতির কিছুক্ষণ পরেই মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে ইডি।
সবুজ ফাইল আনেন মমতা, শাহকে নিশানা করেন
যদিও মুখ্যমন্ত্রী যখন নথি নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ইডি কেন বাধা দেয়নি? ইডি কেন তখন আটকায়নি? তা নিয়ে অবশ্য কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে কিছু জানানো হয়নি। যে ইডির বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ছিনতাইয়ের অভিযোগ তোলেন মমতা। লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসার পরে তিনি বলেন, ‘আমার আইটি অফিসে ইডির হানা দুর্ভাগ্যজনক। আমার দলের সব হার্ডডিস্ক, প্রার্থীতালিকা, দলের কৌশল, দলের পরিকল্পনা নিতে ইডি এসেছে। এটা কি ইডির দায়িত্ব? এটা কি অমিত শাহের দায়িত্ব? সবথেকে কদর্য (কেন্দ্রীয়) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দুষ্টু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যিনি দেশকে রক্ষা করতে পারেন না। উনি আমার দলের সব নথি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন? আমি যদি বিজেপি পার্টি অফিসে অভিযান চালাই, সেটার ফল কী হবে?’
আইপ্যাক অফিস থেকেও নথি বের করা হয়
সেখান থেকে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। আর মমতা উপরে উঠে যাওয়ার পরে একটি সাদা গাড়িতে গাদা-গাদা ফাইল, নথি তোলা হয়। সেই নথির বিষয়ে পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাগজ, নথি, ফাইল পড়েছিল। সেগুলো তৃণমূলের কাগজপত্র। সেগুলিই গাড়িতে তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


