Jalpaiguri Bakery Murder: জলপাইগুড়ির বেকারিতে ম্যানেজারের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, খুনের তদন্তে পুলিশ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাফিজুরের বাড়ি হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকায়। কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি জলপাইগুড়িতে ছিলেন। নয়াবস্তির প্যারিস বেকারিতে ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও বেকারিতেই ছিলেন হাফিজুর।

Published on: Sep 25, 2026, 10:16:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

সাতসকালে জলপাইগুড়ি শহরে চাঞ্চল্য। বেকারির ভিতর থেকে উদ্ধার হল ম্যানেজারের রক্তাক্ত দেহ। শুক্রবার সকালে নয়াবস্তি এলাকার একটি বেকারি থেকে ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতের নাম হাফিজুর রহমান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জলপাইগুড়িতেই থেকে কাজ করছিলেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। কী কারণে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তদন্ত।

এদিকে খুনের খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশ। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন করা হয় বিশাল বাহিনী। এদিকে রাজ্জাকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে আইএসএফ-এর দিকে।
এদিকে খুনের খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশ। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন করা হয় বিশাল বাহিনী। এদিকে রাজ্জাকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে আইএসএফ-এর দিকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাফিজুরের বাড়ি হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকায়। কাজের সূত্রে বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি জলপাইগুড়িতে ছিলেন। নয়াবস্তির প্যারিস বেকারিতে ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও বেকারিতেই ছিলেন হাফিজুর। শুক্রবার সকালে বেকারির ভিতরে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পরই স্থানীয়দের তরফে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বেকারির ভিতর থেকে হাফিজুরের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাটি জানানো হয়েছে তাঁর পরিবারের সদস্যদের। ঠিক কখন এবং কী ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বেকারিতে লুটপাটের উদ্দেশ্যেই হামলা চালিয়ে থাকতে পারে দুষ্কৃতীরা। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর। লুটপাটে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে আক্রমণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান। তবে এখনই এই তত্ত্বকে চূড়ান্ত বলে মানছে না পুলিশ।

খুনের নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে হাফিজুরের সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। তাঁর পরিচিতজন, সহকর্মী এবং বেকারির সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ইতিমধ্যে পরীক্ষা করা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বেকারির আশপাশে কারা যাতায়াত করেছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তিকে ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কি না, সেটিও জানার চেষ্টা চলছে।

একই সঙ্গে বেকারির ভিতর থেকে কোনও জিনিস খোয়া গিয়েছে কি না, তার হিসাবও নেওয়া হচ্ছে। লুটের উদ্দেশ্যে হামলা হয়ে থাকলে সেই সংক্রান্ত প্রমাণ মিলতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। অন্য দিকে, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেও এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং সময় সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। আপাতত একাধিক সম্ভাবনা সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যেই বা এই হামলা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর সিসিটিভি ফুটেজ এবং জিজ্ঞাসাবাদের দিকে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More