Jogamaya-Asutosh-Syamaprasad College: যোগমায়া-আশুতোষ-শ্যামাপ্রসাদ কলেজ মিলে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়! রাজি ‘প্রাক্তনী’ মমতা
মর্নিংয়ের যোগমায়া দেবী কলেজ, ডে'র আশুতোষ কলেজ এবং ইভিনিংয়ের শ্যামাপ্রসাদ কলেজ মিলিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হচ্ছে।
যোগমায়া দেবী কলেজ, আশুতোষ কলেজ এবং শ্যামাপ্রসাদ কলেজ মিলিয়ে পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তাতে সবুজ সংকেত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সরস্বতী পুজোয় নিজের কলেজ যোগমায়া দেবী কলেজে মুখ্যমন্ত্রী আসেন। সেখানেই জানান যে মর্নিংয়ের যোগমায়া কলেজ, ডে'র আশুতোষ কলেজ এবং ইভিনিংয়ের শ্যামাপ্রসাদ কলেজ মিলিয়ে একটি আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে নয়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে তিনটি কলেজই আপাতত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আছে।

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে - উচ্ছ্বসিত যোগমায়া, আশুতোষ, শ্যামাপ্রসাদ কলেজ
আর মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণায় সরস্বতী পুজোয় উচ্ছ্বাসে মেতেছে যোগমায়া দেবী কলেজ, আশুতোষ কলেজ এবং শ্যামাপ্রসাদ কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আশুতোষ কলেজের অধ্যক্ষ মানস কবি বলেছেন যে যোগমায়া দেবী-আশুতোষ-শ্যামাপ্রসাদ কলেজ গ্রুপেরই প্রাক্তনী হলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অভিভাবক হিসেবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে বিধানসভা নির্বাচনের পরে তিনটি কলেজ মিলিয়ে আলাদা একটি বিশ্ববিদ্যালয় করে দেবেন। একইসুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কলেজের অধ্যক্ষ অপূর্ব চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে অত্যন্ত গর্বের বিষয় এটা। তিনটি কলেজের যে সম্মিলিত পরিবার আছে, তার জন্য বড় পাওনা।
'যোগমায়া কলেজের প্রাক্তনী হিসেবে অনেক স্মৃতি আছে'
তারইমধ্যে যোগমায়া দেবী কলেজের সরস্বতী পুজোয় এসে আপ্লুত হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, ‘সর্বপ্রথম বসন্ত পঞ্চমীর পুণ্যলগ্নে সকলকে জানাই সরস্বতী পুজোর আন্তরিক শুভকামনা। আজ এই শুভক্ষণে কলকাতার অন্যতম প্রাচীন মহিলা কলেজ যোগমায়া দেবী কলেজে বাণী বন্দনায় অংশগ্রহণ করলাম। এই কলেজের একজন প্রাক্তনী শিক্ষার্থী হিসেবে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই কলেজের সঙ্গে। আজ প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রীদের মিলন উৎসবে আমি আবেগাপ্লুত।’
'বিশ্বভুবন আলোকিত হোক জ্ঞানের আলোক শিখায়'
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিদ্যা-বুদ্ধি, সঙ্গীত-শিল্পকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সরস্বতী। তিনি জ্যোতির্ময়ী এবং পুস্তকধারিণী মহাশ্বেতা। দেবীর আশীর্বাদে বাংলা তথা দেশের সকল বিদ্যার্থীর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়ে উঠুক। প্রকৃত জ্ঞানের আলোকে ধুয়ে যাক মলিনতা , সকল দীনতা – মায়ের রাঙা চরণে এই প্রার্থনা আমার। বসন্ত পঞ্চমীর পুণ্যলগ্নে দেবীর আশীর্বাদে বাংলার জনগণের সৃজনশীল প্রতিভা, শিল্পীসত্ত্বা থাকুক শাশ্বত। বিশ্বভুবন আলোকিত হোক জ্ঞানের আলোক শিখায়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-বর্গ নির্বিশেষে সম্প্রীতির মেলবন্ধনে মহাসমারোহে পালিত হোক আনন্দ উৎসব।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


