RG Kar Case: 'দেশের মানুষ তাকিয়ে...,' আরজি কর মামলা থেকে সরলেন বিচারপতি মান্থা, কেন?

RG Kar Case: এদিন শুনানির সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে একটি পৃথক জুডিশিয়াল কমিশন বা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠন করতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে এই মুহূর্তে মামলাটি শোনার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই তিনি মনে করেন।

Published on: May 12, 2026 7:45 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

RG Kar Case: আরজি কর-কাণ্ড ও তিলোত্তমার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বাংলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক নয়া মোড় তৈরি হয়েছে। আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলা থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালীন এই তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। মামলার গুরুত্ব ও সময়ের প্রয়োজনে এটি এখন পুনরায় প্রধান বিচারপতির কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘জুডিশিয়াল কমিশন’ গঠন করতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকার।

আরজি কর মামলা থেকে সরলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (HT_PRINT)
আরজি কর মামলা থেকে সরলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (HT_PRINT)

এদিন শুনানির সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে একটি পৃথক জুডিশিয়াল কমিশন বা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠন করতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে এই মুহূর্তে মামলাটি শোনার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই তিনি মনে করেন। বিচারপতি মান্থা মামলার গুরুত্ব পর্যবেক্ষণ, 'এই মামলা শুধুমাত্র আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং এই মামলার দিকে গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষ তাকিয়ে রয়েছেন।' তিনি আরও বলেন, 'আমিও চাই এই মামলায় সঠিক বিচার হোক। শুধু পরিবারের নয়, সাজাপ্রাপ্ত এবং সিবিআই-এর আবেদনও বিশদে শুনতে হবে। বিস্তারিত শুনানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'

আদালতে সরকার পক্ষের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আরজি কর কাণ্ডে রাজ্য সরকার সম্ভবত একটি জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই আরজি কর ইস্যুতে স্বচ্ছ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকার গড়ার পরেই এই কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়াকেই ত্বরান্বিত করবে। জুডিশিয়াল কমিশন গঠিত হলে সমান্তরালভাবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার। এদিন শুনানিতে সিবিআই তাদের মুখবন্ধ খামে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করে এবং আদালত তা গ্রহণ করেছে। তবে বেঞ্চ পরিবর্তন হওয়ায় এখন প্রধান বিচারপতি স্থির করবেন কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারীর সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আরজি কর ও সন্দেশখালির ‘ফাইল খোলা’র যে হুঙ্কার দিয়েছিল, জুডিশিয়াল কমিশন গঠন তারই প্রথম ধাপ। একদিকে যখন সিবিআই কেন্দ্রীয়ভাবে তদন্ত চালাচ্ছে, অন্যদিকে রাজ্যের এই কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এখন দেখার, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলা ওঠার পর তদন্তের গতি কতটা বৃদ্ধি পায়।