Kolkata Durga Angan: মুসলিমদের আপত্তিতে দুর্গাঙ্গনের জায়গা বদল রাজ্যের? দাবি শুভেন্দুর, MLA বললেন….
মুসলিম জমি মালিকদের আপত্তির জেরে একেবারে শেষমুহূর্তে নিউ টাউনের 'দুর্গাঙ্গন'-র জায়গা পরিবর্তন করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুললেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুসলিম জমি মালিকদের আপত্তির জেরে একেবারে শেষমুহূর্তে নিউ টাউনের 'দুর্গাঙ্গন'-র জায়গা পরিবর্তন করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুললেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার শুভেন্দু অভিযোগ করেন, 'কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যে, সেই জমি যখন অধিগ্রহণ হয়েছিলো, তখন সেখানে জমির মালিকানা কিছু মুসলিম ব্যক্তিদেরও ছিল। তাঁদের পরিবারের ও স্থানীয় বসবাসকারী মুসলমান সমাজের আপত্তি, কেন তাঁদের অধিকৃত জমিতে সরকারি অর্থে হিন্দু ধর্মস্থান নির্মাণ করবে সরকার। এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হল মাননীয়ার (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)!' যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

'দুর্গাঙ্গন'-র বোর্ডও বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল
এমনিতে সোমবার 'দুর্গাঙ্গন'-র শিলান্যাস করার কথা আছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রাথমিকভাবে ঠিক ছিল যে নিউ টাউনে ইকোপার্কের উল্টোদিকে একটি জমিতে দুর্গাঙ্গন তৈরি করা হবে। সেজন্য 'দুর্গাঙ্গনের জমি' বলে বোর্ডও বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিলান্যাসের কয়েকদিন আগেই সেই বোর্ড উধাও হয়ে যায়।
এখন কোথায় হচ্ছে দুর্গাঙ্গন?
পরবর্তীতে হিডকোর চেয়ারপার্সন এবং রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, যে জায়গায় দুর্গাঙ্গন গড়ে তোলা হবে, তা পালটে ফেলে ফেলা হয়েছে। ইকোপার্কের উল্টোদিকের জমির পরিবর্তে অ্যাকশন এরিয়া ওয়ানে নিউ টাউন বাস টার্মিনাসের উল্টোদিকের একটি জমিতে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। সেখানে ইতিমধ্যে কাজের তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে।
বড় জমির প্রয়োজন ছিল, দাবি তৃণমূল বিধায়কের
কিন্তু কী কারণে একেবারে শেষমুহূর্তের দুর্গাঙ্গনের জায়গা পরিবর্তন করা হল, তা নিয়ে হিডকোর তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় রাজারহাট-নিউ টাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে দুর্গাঙ্গনের জমি চূড়ান্ত করার আগে একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা হিডকো। শহরের সবথেকে বড় মন্দির চত্বর থাকবে দুর্গাঙ্গনে।
তিনি জানান, হিডকোর আধিকারিকরা মনে করছেন যে নতুন যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা আগের জায়গার থেকে বড়। আর দুর্গাঙ্গন তৈরির জন্য আরও বেশি অনুকূল জমি। যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে। আগের যে জমি ছিল, তাতে অন্য কোনও প্রকল্প গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন রাজারহাট-নিউ টাউনের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


