Kolkata Metro Chingrighata Work: চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজের তোড়জোড়! কোন কোন রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘোরানো হতে পারে?

চিংড়িঘাটা মেট্রোর ফাঁক জোড়ার তোড়জোড় শুরু হল। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর) কাজের জন্য বিকল্প রাস্তা চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে। যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জট ছিল।

Published on: Jan 22, 2026, 14:57:27 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

চিংড়িঘাটা মেট্রোর ফাঁক জোড়ার তোড়জোড় শুরু হল। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর) কাজের জন্য বিকল্প রাস্তা চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে। যে কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় (চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে শেষ ৩৬৬ মিটারের ফাঁক জুড়তে হবে) ট্র্যাফিক ব্লকের প্রয়োজন আছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ এবং অরেঞ্জ লাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল)। কিন্তু দীর্ঘদিন টানাপোড়েনের কারণে সেই কাজটা আটকে ছিল। বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টেও।

চিংড়িঘাটা মেট্রোর ফাঁক জোড়ার তোড়জোড় শুরু হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Kolkata Metro)
চিংড়িঘাটা মেট্রোর ফাঁক জোড়ার তোড়জোড় শুরু হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Kolkata Metro)

কোন কোন রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘোরানো হতে পারে?

১) সায়েন্স সিটি থেকে উল্টোডাঙামুখী রাস্তা: ক্যাপ্টেন ভেড়ির লাগোয়া রাস্তা থেকে গাড়ি চলাচল করবে।

২) ক্যাপ্টেন ভেড়ির দিক থেকে বাস এবং পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। উঠবে চিংড়িঘাটায়।

৩) ছোট গাড়ি এবং বাইক যাবে ইএম বাইপাস দিয়েই।

৪) চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারের ওঠার আগে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে রাস্তাকে।

৫) ক্যাপ্টেন ভেড়ির দিক থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। একেবারে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার দিয়ে গাড়ি চলে যাবে।

তারইমধ্যে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী এবং সরস্বতী পুজোর জন্য ব্লু লাইনে (দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম) কম মেট্রো চালানো হবে। এমনিতে ব্লু লাইনে শুক্রবার দৈনিক ২৭২টি মেট্রো চলাচল করে। ২৩ জানুয়ারি চালানো হবে ২৩৬টি মেট্রো। তাছাড়া নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত দুটি মেট্রো চলবে।

ব্লু লাইনের প্রথম মেট্রোর পরিষেবার সময়

১) মহানায়ক উত্তম কুমার থেকে দক্ষিণেশ্বর: সকাল ৬ টা ৫৫ মিনিট।

২) দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম: সকাল ৬ টা ৫৫ মিনিট।

৩) শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর: সকাল ৬ টা ৫৪ মিনিট (সকাল ৬ টা ৫০ মিনিটের পরিবর্তে)।

৪) নোয়াপাড়া থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম: সকাল ৬ টা ৫০ মিনিট।

ব্লু লাইনের শেষ মেট্রোর পরিষেবার সময়

১) দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম: রাত ৯ টা ২৮ মিনিট।

২) শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর: রাত ৯ টা ৩৩ মিনিট (রাত ৯ টা ৩৫ মিনিটের পরিবর্তে)।

৩) শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে নোয়াপাড়া: রাত ৯ টা ৪৩ মিনিট (রাত ৯ টা ৪৪ মিনিটের পরিবর্তে)।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More