Kolkata Metro Latest Update: ব্লু লাইনে ৫৮৫ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প! ভোল পালটাবে কলকাতা মেট্রোর, কতদিন লাগবে?
কলকাতা মেট্রোয় ৫৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করা হল। কলকাতা মেট্রোর নর্থ-সাউথ করিডরে (ব্লু লাইন তথা দক্ষিণেশ্বর থেকে নিউ গড়িয়া করিডর) সেই কাজ চলবে। তার ফলে বড়সড় লাভ হবে যাত্রীদের। তাঁদের যাতায়াত আরও মসৃণ হবে।
মেট্রোর আধুনিকীকরণের জন্য ৫৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করা হল। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে কলকাতা মেট্রোর নর্থ-সাউথ করিডরের (ব্লু লাইন তথা দক্ষিণেশ্বর থেকে নিউ গড়িয়া করিডর) সুড়ঙ্গের ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে উন্নত করা তোলা হবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, বছরচারেকের মধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। তার ফলে বছরে বিদ্যুতের বিল বাবদ ২১ কোটি টাকা বেঁচে যাবে। বছরে সংরক্ষণ করা যাবে ১৮ কোটি লিটার জল। পরিবেশের উন্নতি হবে বলে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে।

'ওয়াটার কুল' চিলারের জায়গায় বসবে 'এয়ার কুল' চিলার
বুধবার নোয়াপাড়া কারশেড থেকে সেই মেগা প্রকল্পের সূচনা করেন মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশু শেখর মিশ্র-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ব্লু লাইনের ১৫টি স্টেশনেরই কুলিং সিস্টেমের কাজ চলবে। এখন যে 'ওয়াটার কুল' চিলার (সুড়ঙ্গ থেকে তাপ শুয়ে নিয়ে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া, যা মাধ্যম হিসেবে জল ব্যবহার করে থাকে) আছে, তার পরিবর্তে 'এয়ার কুল' চিলার (তাপ শুষে নিয়ে সরাসরি বাতাসে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া) বসানো হবে। একইভাবে পালটে ফেলা হবে মেট্রোর বাইরে থাকা কুলিং টাওয়ারও।
'এয়ার কুল' চিলারের ফলে কী কী লাভ হবে?
আর সেই পরিবর্তনের ফলে বছরে ১৮ কোটি লিটার ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার কমে যাবে বলে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে 'ওয়াটার কুল' চিলার আছে, সেটার মাধ্যমে মেট্রো স্টেশনকে ঠান্ডা রাখার জন্য বছরে ১৮ কোটি লিটার ভূগর্ভস্থ জলের প্রয়োজন হয়। আর 'এয়ার কুল' চিলারের ফলে জলের প্রয়োজন হবে না। ফলে পরিবেশের পক্ষে অত্যন্ত সহায়ক হবে নয়া প্রক্রিয়া।
টানেলকে আধুনিক করে তোলা হচ্ছে ব্লু লাইনে
তাছাড়াও টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেমকেও আধুনিক করে তোলা হচ্ছে। আগে মেট্রোয় নন-এসি রেক ছিল। সেজন্য টানেল ঠান্ডা রাখার দরকার ছিল। কিন্তু এখন সব রেকই এসি হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে ৪১ বছরের পুরনো টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেম। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া সিস্টেমের ফলে অগ্নিনির্বাপণ সংক্রান্ত সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যুতের বিল বাবদ বছরে ২১ কোটি টাকা কম খসবে। আর বছরে কার্বন নিঃসরণ ২৩,০০০ মেট্রিক টন কমে যাবে বলে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


