Kolkata Police: রাজনৈতিক হিংসার জন্য রাস্তায় নামতে বারণ কলকাতা পুলিশের? কী বলল লালবাজার?
Kolkata Police on Law & Order: ফেসবুক পোস্টে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে লেখা হয়, 'এই সতর্কবার্তাটি ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর। কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ সার্বক্ষণ সতর্ক রয়েছে এবং নজর রাখা হচ্ছে।'
Kolkata Police on Law & Order: মধ্য কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ৫ মে রাতে তৃণমূলের পার্টি অফিস এবং মাংসের দোকানে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দিকে আঙুল তুলে এই অভিযোগ করা হয় রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনের তরফ থেকে। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় কলকাতা পুলিশের লেটারহেডে একটি 'নোটিশের' ছবি ভাইরাল হয়। তাতে লেখা, 'রিপন স্ট্রিট, জানবাজার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় রাজনৈতিক জমায়েতের জেরে প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেন বাড়ির বাইরে রাস্তায় না বের হন।' তবে এই ছবিটি ভুয়ো বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

এই নিয়ে ফেসবুক পোস্টে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে লেখা হয়, 'এই সতর্কবার্তাটি ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর। কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ সার্বক্ষণ সতর্ক রয়েছে এবং নজর রাখা হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনারের নামে এই ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নাগরিকরা যেন তথ্য যাচাই করে তা বিশ্বাস করেন এবং শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের উপর নির্ভর করেন।'
উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে এই পর্যন্ত। হাওড়া, বেলেঘাটা, নানুর থেকে নিউটাউনে ঝরেছে রক্ত। এরই সঙ্গে বহু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের অভয় প্রদান করে এসেছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও হিংসায় বিজেপি কর্মীরা জড়িত থাকলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সঙ্গে তিনি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের একটি অংশ এখন অপর পক্ষকে বিজেপি পতাকা হাতে মারছে। এই আবহে সদ্য তৃণমূল থেকে স্বঘোষিত বিজেপি হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সাবধান করেছেন তিনি। এছাড়া দলের রং না দেখে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এদিকে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। নির্বিঘ্নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা কমিশনের কাছে এখন বড় পরীক্ষা হিংসা ঠেকানো। এই আবহে দিল্লি থেকে মির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভাঙচুর বা হিংসার ঘটনা দেখলেই অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


