Kolkata Winter Weather Forecast Update: একদিনেই পারদ চড়ল ১.২ ডিগ্রি! সরস্বতী পুজোর আগেই ‘গরম’ কলকাতায়, ফের ঠান্ডা কবে?
সরস্বতী পুজোর আগেই কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছে গেল। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি ছিল। আজ সেটা একধাক্কায় ১.২ ডিগ্রি বেড়ে গিয়ে পৌঁছে গেল ১৫ ডিগ্রির ঘরে।
একধাক্কায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছে গেল। মঙ্গলবার যখন মহানগরের পারদ ১৪.২ ডিগ্রির নীচে নামেনি, তখনই আভাস মিলেছিল যে বুধবার ১৫ ডিগ্রি পৌঁছে যাবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর ঠিক সেটাই হল। বুধবার সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৩ ডিগ্রি বেশি। একইভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে বেশি ছিল। পারদ পৌঁছে যায় ২৬.৪ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি বেশি। সার্বিকভাবে আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ ডিগ্রির আশপাশে।

শেষ কয়েকদিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
১) বুধবার: ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২) বৃহস্পতিবার: ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩) শুক্রবার: ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৪) শনিবার: ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৫) রবিবার: ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৬) সোমবার: ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৭) মঙ্গলবার: ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কলকাতায় ফের শীত পড়বে কবে?
অর্থাৎ এখন যা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, তাতে দিনের বেলা বাড়ির বাইরে বেরোলে রোদের তাপ রীতিমতো গায়ে লাগছে। মূলত রাত বা ভোরের দিকে কিছুটা ঠান্ডা-ঠান্ডা ভাব আছে। কিন্তু যাঁদের ঠান্ডা কম লাগে, তাঁদের পাখাও চালাতে হতে পারে। আর সেরকম পরিস্থিতি থাকতে পারে আগামী এক সপ্তাহ। এই এক সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার হেরফের হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। ফলে সরস্বতী পুজো কিছুটা আগে পড়লেও সেরকম ঠান্ডা লাগবে না। ফের কবে একটু বেশি ঠান্ডা পড়বে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আগামী কয়েকদিন পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?
সার্বিকভাবে পুরো পশ্চিমবঙ্গেই এরকম ‘গরম-গরম’ ভাব থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, সপ্তাহখানেক পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। এখন যেরকম আছে, মোটামুটি সেরকম স্তরেই থাকবে বিভিন্ন জায়গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


