Kolkata Winter Forecast till 1st Jan: ১২ ডিগ্রির ঘরে কলকাতার পারদ! ঝপ করে ঠান্ডা বেড়ে পরপর ২ দিন শীতলতম দিন মহানগরীতে
বৃহস্পতিবার ছিল কলকাতার 'শীতলতম দিন'। শুক্রবারই সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। এখনও পর্যন্ত এই মরশুমের শীতলতম দিনের তকমা আদায় করে নিল ২৬ ডিসেম্বর। বাধাহীন উত্তুরে হাওয়ার দাপটে ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা। আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে শীত?
ক্রিসমাসেই মরশুমের 'শীতলতম দিন'-র সাক্ষী ছিল কলকাতা। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেই নজির ভেঙে গেল। ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পারদ নেমে গিয়ে এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত কলকাতার শীতলতম দিনের তকমা পেল ২৬ ডিসেম্বর। শুক্রবার সকালেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১২.৯ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৬ ডিগ্রি কম। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি। সেটা একধাক্কায় ০.৮ ডিগ্রি কমে গেল। আর বুধবার থেকে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু'ডিগ্রি কমে গেল। সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯ ডিগ্রি। শুধু তাই নয়, আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১.২ ডিগ্রিতে ঠেকেছে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪.৪ ডিগ্রি কম। অর্থাৎ দিনেও বেশ ঠান্ডা থাকবে।

শনিবার কি আরও পারদ পতন হবে?
আপাতত আবহাওয়ার যা পূর্বাভাস, তাতে এখন মোটামুটি ঠান্ডা থাকছে কলকাতায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বিজ্ঞানী সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'শনিবার থেকে (সর্বনিম্ন তাপমাত্রা) সামান্য বাড়তে পারে। তবে আগামী চার-পাঁচদিন (কলকাতার সর্বনিম্ন) তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে। তাই শীত থাকছে এখন।'
বাধাহীনভাবে বইছে উত্তুরে হাওয়া, তাতেই শীতের দাপট
আবহবিদ জানিয়েছেন, আপাতত এমন কোনও ‘সিস্টেম’ নেই (নিম্নচাপ বা পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বা অন্য কোনও সিস্টেম) , যা উত্তুরে হাওয়ার গতিপথে বাধা তৈরি করতে পারবে। আর বাধাহীন উত্তুরে হাওয়ার দাপটে কলকাতার পারদ পতন হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে আপাতত কয়েকদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও (দিনের তাপমাত্রা) স্বাভাবিকের থেকে বেশ কিছুটা কম থাকবে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বিজ্ঞানী।
১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
চলতি বছরের শেষে এবং নয়া বছরের শুরুতেই কলকাতার তাপমাত্রা কেমন থাকবে, ঠান্ডা কতটা পড়বে, তার আভাস ইতিমধ্যে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত থাকবে, সেই তালিকা দেখে নিন-
১) ২৭ ডিসেম্বর: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি।
২) ২৮ ডিসেম্বর: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি।
৩) ২৯ ডিসেম্বর: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি।
৪) ৩০ ডিসেম্বর: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি।
৫) ৩১ ডিসেম্বর: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি।
৬) ১ জানুয়ারি: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


