Kolkata-Varanasi Expressway Update: বাংলার ৩ জেলায় এলিভেটেড করিডর হচ্ছে! এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে গতি না কমিয়েই ছুটবে গাড়ি
কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়েতে এলিভেটেড করিডর তৈরি করা হচ্ছে। কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ হয়ে এগিয়ে যাবে সেই এক্সপ্রেসওয়ে।
বন্যপ্রাণ রক্ষায় কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়েতে এলিভেটেড করিডর তৈরি করা হচ্ছে। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (এনএইচএআই) সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম বর্তমানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ের যে অংশ যাবে, সেখানে মোট ১০ কিলোমিটারের এলিভেটেড করিডর তৈরি করা হবে। সেই এলিভেটেড করিডর তৈরি করার ফলে গাড়ির গতি কমাতে হবে না। গাড়ি নিজস্ব গতিতেই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ছুটতে পারবে। বন্যপ্রাণীরা নিজেদের ছন্দে চলাচল করতে পারবে। বিপন্ন হবে না বন্যপ্রাণীদের জীবন।

৩০ কিমির এলিভেটেড করিডরের তৈরির পরিকল্পনা ছিল
প্রাথমিকভাবে অবশ্য পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার বনাঞ্চলে মোট ৩০ কিমি অংশে এলিভেটেড করিডর তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সূত্র উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যপ্রাণীদের জীবন রক্ষায় যেহেতু সেই এলিভেটেড করিডর তৈরি করা হবে, সেজন্য উত্তরাখণ্ড থেকে বিশেষজ্ঞ দল এসেছিল। ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার বিশেষজ্ঞরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরে জানান যে ১০ কিমি অংশে এলিভেটেড করিডর তৈরি করলেই হবে। সেইমতো ওই অংশে এলিভেটেড করিডর (অ্যানিম্যাল করিডর অংশ নীচে থাকবে, উপর দিয়ে গাড়ি ছুটবে) তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রায় ২৩ মিটারের চওড়া রাস্তা হচ্ছে
এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়েতে মোট ছ'টি লেন থাকবে। ফলে প্রায় ২৩ মিটার চওড়া হবে রাস্তা। ফলে রাস্তার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যেতে বন্যপ্রাণীদের অনেকটাই সময় লাগবে। সেই গাড়ি চলাচল ব্যাহত হবে। তাছাড়াও প্রাণের ঝুঁকিও থাকবে না বন্যপ্রাণীদের। ফলে সবদিক থেকেই লাভ হবে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে
এমনিতে কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ হয়ে এগিয়ে যাবে সেই এক্সপ্রেসওয়ে। যে রাস্তার কারণে কলকাতা থেকে বারাণসীর মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে যাবে একধাক্কায়। আপাতত সড়কপথে কলকাতা থেকে বারাণসী পৌঁছাতে মোটামুটি ১৩-১৫ ঘণ্টা লেগে যায়। কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হয়ে গেলে সেই সময়টা কমে আট-নয় ঘণ্টায় নেমে আসবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


