Modi's Singur meeting land row: ন্যানোর পরে মোদীর সিঙ্গুরের সভায় জমি বিতর্ক! 'অনিচ্ছুক' চাষিরা ময়দানে, শুরু তরজা
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে সিঙ্গুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সভা করবেন সিঙ্গুরের 'টাটার মাঠে'। যেখানে টাটার ন্যানো প্রকল্প হওয়ার কথা ছিল। তবে সেই সভার আগে ‘অনিচ্ছুক’ চাষিদের বিষয়টি নতুন করে সামনে এল।
সিঙ্গুরের 'টাটার মাঠে' প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার জন্য জোর করে জমি নেওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুললেন গোপালনগর এবং সিংহের ভেড়ির জমি মালিকদের একাংশ। সেইসঙ্গে লিখিতভাবে সিঙ্গুরের বিডিওয়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে আপাতত কিছু জানানো হয়নি। তবে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী তথা সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না দাবি করেছেন, নিয়ম না মেনেই প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য জমি নেওয়া হয়েছে। পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, নিম্নস্তরের রাজনীতি করা হচ্ছে।

১৭ বছর পরে সিঙ্গুর এবং ‘ব্যাড এম’ বনাম ‘গুড এম’
এমনিতে 'টাটার মাঠে' (ন্যানো প্রকল্পের জন্য টাটার অধিগৃহীত জমি) আগামী রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সভা করার কথা আছে। ২০০৮ সালে যে মাঠ ঘিরে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য এবং বামেদের রাজত্বে শেষ কফিন পুঁতে দিয়েছিল, সেই জমিই নতুন করে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এমনকী মোদীর সভা জন্য যে হ্যাঙার তৈরি হয়েছে, তার আদল করা হয়েছে সিঙ্গুরের ন্যানো কারখানার ছাউনির মতো। যে কারখানা শেষপর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। রতন টাটা বলেছিলেন, ‘ব্যাড এম’ (মমতা) ‘ট্রিগার টিপে দেওয়ায়’ ন্যানো প্রকল্প চলে গিয়েছিল গুজরাটের ‘গুড এম’-র (মোদী সেইসময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন) কাছে।
সিঙ্গুর নিয়ে আক্ষেপ, পালটা যুক্তি তৃণমূলের
আর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো কারখানা চলে যাওয়ার জন্য এখনও আক্ষেপ করেন অনেকে। বিরোধীরা আক্রমণ শানান মমতাকে। পালটা তৃণমূলের দাবি, সিঙ্গুরে কারখানার বিরোধিতা করা হয়নি। বিরোধিতা করা হয়েছিল বেআইনিভাবে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টির। কৃষকদের অনুমতি না নিয়েই তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। আর তাছাড়া মমতার আমলে রাজ্যে টাটা শিল্পে বিনিয়োগ করেছে বলে দাবি করা হয় তৃণমূলের তরফে।
তরজায় তৃণমূল ও বিজেপি
তারইমধ্যে ফের বিনা অনুমতিতে জমি নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সিঙ্গুরে তরজা শুরু হল। সিঙ্গুরের বিধায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। ভারতীয় আইন মেনে চলার জন্য (শপথ নিয়েছেন)। মোদীজি সিঙ্গুরে আসছেন। কিন্তু আইন মানছেন না। সভা আয়োজনের জন্য জমি মালিকদের অনুমতি চাই।’ পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথের দাবি, মোদীর সভার জন্য এসপিজির (প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে) উপস্থিতিতে আগেভাগেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফেও সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। রাজনীতির জন্য এখন এসব করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


