Pakistani ISI Network:অন্যের ফোন থেকে চাপা গলায় স্ত্রীর সাথে কথা!পাক-চর নেটওয়ার্কের সূত্রে ধৃত সানি কে?
কলকাতা থেকে সরে গিয়ে হুগলির রিষড়ায় ডেরা বেঁধেছিলেন সানি।
রাজ্যে পাকিস্তানি চর সন্দেহে ধৃত রাউফ ওরফে রানার গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক ধরপাকড় চলছে। রানাকে নিজের বন্ধু বলে পরিচয় দিত জনৈক জাফর সামস ওরফে সানি। মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। জানা যাচ্ছে, রানার গ্রেফতারির সূত্র ধরেই সানিকেও গ্রেফতার করেছে এসটিএফ।

কলকাতা থেকে সরে গিয়ে হুগলির রিষড়ায় ডেরা বেঁধেছিলেন সানি। পাকিস্তানি চর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সূত্র ধরেই তাঁর গ্রেফতারি। তথ্য় বলছে, হাওড়ার শালকিয়ার কারখানায় রানাকে কাজ পাওয়ানোর নেপথ্য়ে ছিলেন এই সানি। রানাকে নিজের বন্ধু বলে পরিচয় দিতেন সানি। এখানেই শেষ নয়। রানাকে ভারতীয় জাল পরিচয়পত্র পেতেও সাহায্য করেছেন সানি। মূলত, এর আগেই জানা গিয়েছে যে, ধৃত রানা পাকিস্তানের বাসিন্দা, সন্দেহ সে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র এজেন্ট। সেই রানার সূত্র ধরেই তপসিয়া থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই তপসিয়ায় এককালে থাকতেন এই সানিও। জানা যাচ্ছে, রিষড়ার সন্ধ্যাবাজার থেকে মঙ্গলবার ধরা পড়ার আগে, এক স্থানীয় চাবিওয়ালার কাছ থেকে সেই চাবিওয়াল মোবাইল নেন সানি। সানি ফোন করেছিলেন তাঁর স্ত্রীকে। চাবিওয়ালার দাবি, তিনি শোনেন, ফোনে সানি, স্ত্রীকে বলেন সন্তানদের খেয়াল রাখতে। এছাড়াও চাপা গলায় কিছু কথা তিনি স্ত্রীকে সেই সময় বলেন বলে জানান ওই চাবিওয়ালা।
জানা যাচ্ছে, কলকাতার তপসিয়ায় সানির পরিবার রয়েছে। আর সেই তপসিয়া থেকে রিষড়ায় চলে এসে থাকতে শুরু করেন সানি। জানা গিয়েছে, আগেও রিষড়ায় থাকত সানির পরিবার। সানির দুই বোনের বিয়ের পর থেকে তাঁরা রিষড়া ছেলে চলে যান। পাকিস্তানি চর-নেটওয়ার্কে সানি থাকতে পারেন, তা কার্যত বিশ্বাসই হচ্ছেনা রিষড়ার সানির প্রাক্তন প্রতিবেশীদের। এদিকে, তদন্তের ইঙ্গিত, আইএসআই এজেন্ট সন্দেহে ধৃত রানা যে নেটওয়ার্ক তৈরি করছিল, তা পোক্ত করছিলেন সানি। এই তদন্তে আর কী উঠে আসে, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


