নদিয়ায় ‘স্কুলের মধ্যেই’ শুভেন্দুর সভা নিয়ে সরকারের কাছে অভিযোগ!
পঠনপাঠনের সময়ের মধ্যেই প্রাথমিক স্কুলের মাঠে শুভেন্দু অধিকারীর সভার আয়োজন করা হয়েছে - এমনই অভিযোগ তুলে কল্যাণীর মহকুমা শাসক এবং বিডিওকে চিঠি দেওয়া হয়। আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস সেই অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
পঠনপাঠনের সময়ের মধ্যেই প্রাথমিক স্কুলের মাঠে শুভেন্দু অধিকারীর সভার আয়োজন করা হয়েছে - এমনই অভিযোগ তুলে কল্যাণীর মহকুমা শাসক এবং বিডিওকে চিঠি দেওয়া হয়। আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস সেই অভিযোগপত্র দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে শেষপর্যন্ত শুক্রবার বিজেপির সভা শুরু হতে-হতে বিকেল চারটে গড়িয়ে যায়। বিজেপি নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার ডাকে 'পরিবর্তন সংকল্প সভা' থেকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।

তারইমধ্যে সিঙ্গুরে রবিবার যে সভা করার কথা আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর, সেখানকার জমি নিয়েও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। গোপালনগর এবং সিংহের ভেড়ির জমি মালিকদের একাংশ অভিযোগ তুলেছেন যে সিঙ্গুরের 'টাটার মাঠে' মোদীর সভার জন্য জোর করে জমি নেওয়া হয়েছে। ২০০৮ সালে যে মাঠ ঘিরে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য এবং বামেদের রাজত্বে শেষ কফিন পুঁতে দিয়েছিল, সেই জমিই নতুন করে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এমনকী মোদীর সভা জন্য যে হ্যাঙার তৈরি হয়েছে, তার আদল করা হয়েছে সিঙ্গুরের ন্যানো কারখানার ছাউনির মতো। যে কারখানা শেষপর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। রতন টাটা বলেছিলেন, ‘ব্যাড এম’ (মমতা) ‘ট্রিগার টিপে দেওয়ায়’ ন্যানো প্রকল্প চলে গিয়েছিল গুজরাটের ‘গুড এম’-র (মোদী সেইসময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন) কাছে।
সেই বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী তথা সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারামা মান্না বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। ভারতীয় আইন মেনে চলার জন্য (শপথ নিয়েছেন)। মোদীজি সিঙ্গুরে আসছেন। কিন্তু আইন মানছেন না। সভা আয়োজনের জন্য জমি মালিকদের অনুমতি চাই।’ পালটা বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, মোদীর সভার জন্য এসপিজির (প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে) উপস্থিতিতে আগেভাগেই নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হয়ে গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফেও সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। রাজনীতির জন্য এখন এসব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


