Lionel Messi s 70 feet statue: হাওয়ায় দুলছে লেকটাউনের মেসির মূর্তি! ৭০ ফুটের স্ট্যাচু ঘিরে শোরগোল
রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী সুজিত বসুর তত্ত্বাবধানে এই মূর্তিটি গত ডিসেম্বর মাসে বসানো হয়েছিল লেকটাউনে। সেই সময় কলকাতায় এসেছিলেন লিওনেল মেসি
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তি সদ্য সরানো হয়েছে। সেই চর্চা রাজ্য জুড়ে। যুবভাকতীর সামনে থাকা ‘কোমরের ওপর বল’ মূর্তিতে জুতো ও মোজার অংশ ছেড়ে বাকি অংশ সরানো হয়েছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, লেকটাউনে লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার নতুন খবর। জানা যাচ্ছে, লেকটাউনে লিওনেল মেসির মূর্তি হাওয়ায় দুলছে। মূর্তিটি ভেঙে বিপদ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। সেই পরিস্থিতি এড়াতে, সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসেন পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক ও লেকটাউন থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, স্থানীয়রা থানায় অভিযোগ করেছেন যে, লেকটাউনে মেসির মূর্তিটি দুলছে হাওয়ায়। মূর্তি যখন, তখন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তারপরই ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ ও আধিকারিকরা পরিদর্শনে আসেন। বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, সোমবার রাতের মধ্যেই মেসির ওই ৭০ ফুটের মূর্তি সম্ভবত লেকটাউন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী সুজিত বসুর তত্ত্বাবধানে এই মূর্তিটি গত ডিসেম্বর মাসে বসানো হয়েছিল লেকটাউনে। সেই সময় কলকাতায় এসেছিলেন লিওনেল মেসি। বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকাকে দেখতে সেদিন মাঠে ভিড় করেছিলেন অগণিত ভক্ত। তবে যুবভারতীতে সেই মেসিকে ঘিরে অনুষ্ঠানে বাঁধে গোল! মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে না পেয়ে মাঠে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। ততক্ষণে মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস। সেই ঘটনার আগে, আর্জেন্টেনিয় তারকা মেসি নিজে ভার্চুয়ালি এই লেকটাউনের সেই মূর্তি উন্মোচন করেছিলেন। জানা যায়, শিল্পী মন্টি পাল নেতৃত্ব দেন মেসির মূর্তি তৈরির প্রকল্পের।
জানা যাচ্ছে, মূর্তির নিচের অংশের মাটি ধসে গিয়েছে। চারদিকে পাথর-মাটি বেরিয়ে পড়েছে। ফলে মূর্তিটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে, মূর্তির নিচে থাকা স্ক্রিনে বহু মানুষই এই সময় সেখানে আইপিএলর ম্যাচ দেখে থাকেন। ফলে সন্ধ্যার দিকে জনসমাগম হয়। সেই সময় মূর্তি ভেঙে পড়লে বড় বিপদ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


