Local Train Monthly Ticket New Rule: নিত্যযাত্রীদের জন্য বড় সুবিধার খবর দিল ভারতীয় রেল, মান্থলি কাটার নিয়মে এল বদল
এবার থেকে RailOne অ্যাপের মাধ্যমে শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবারের অন্য সদস্য বা পরিচিত যাত্রীর জন্যও মান্থলি বা সিজ়ন টিকিট কাটা যাবে। ফলে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা যেমন কমবে, তেমনই যাঁরা নিজেরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে টিকিট কাটতে পারেন না, তাঁদেরও সুবিধা হবে।
নিত্যযাত্রীদের জন্য বড় সুবিধার খবর দিল ভারতীয় রেল। এবার থেকে RailOne অ্যাপের মাধ্যমে শুধু নিজের জন্য নয়, পরিবারের অন্য সদস্য বা পরিচিত যাত্রীর জন্যও মান্থলি বা সিজ়ন টিকিট কাটা যাবে। ফলে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা যেমন কমবে, তেমনই যাঁরা নিজেরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে টিকিট কাটতে পারেন না, তাঁদেরও সুবিধা হবে।

এতদিন RailOne অ্যাপ ব্যবহার করে নিজের মোবাইল থেকেই মান্থলি টিকিট কাটতেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নিয়মিত ট্রেনে যাতায়াত করেন এমন মানুষদের কাছে এই পরিষেবা বেশ সুবিধাজনক হয়ে উঠেছিল। কিন্তু বয়স্ক যাত্রীদের অনেকেই অ্যাপে নিজের টিকিট কাটার নিয়ম বুঝে উঠতে পারতেন না। তাঁদের জন্য পরিবারের ছেলে-মেয়ে বা অন্য সদস্যরা এবার নিজের ফোন থেকেই মান্থলি কেটে দিতে পারবেন।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে RailOne অ্যাপে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। একজন রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারী নিজের পাশাপাশি আরও সর্বোচ্চ পাঁচ জনের জন্য সিজ়ন টিকিট বা মান্থলি বুক করতে পারবেন। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিজের এবং পরিবারের একাধিক সদস্যের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
তবে এই পরিষেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। নিজের জন্য মান্থলি কাটতে গেলে রেজিস্টার্ড ব্যক্তিকে সঠিক ভাবে ভৌগোলিক যাচাই বা জিও-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। নিজের জন্য বুক করা টিকিট সেই দিন থেকেই কার্যকর হবে। কিন্তু অন্য কোনও যাত্রীর জন্য টিকিট বুক করলে সেটি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে না। সেই টিকিট পরের দিন থেকে কার্যকর হবে।
তাই অন্য কারও জন্য মান্থলি কাটার সময় যাত্রার তারিখ বিশেষ ভাবে মাথায় রাখতে হবে। ভুল তারিখে টিকিট কাটলে যাত্রীর অসুবিধা হতে পারে। সেই কারণে বুকিংয়ের আগে যাত্রার সময় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ভাল করে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অন্যের জন্য টিকিট কাটার ক্ষেত্রেও বয়স সংক্রান্ত নিয়ম রয়েছে। RailOne অ্যাপে রেজিস্টার্ড ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। অন্য কোনও যাত্রীর জন্য সিজ়ন টিকিট কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর হতে হবে।
রেল সূত্রে সাধারণত নিত্যযাত্রীরা সেকেন্ড ক্লাসে যাতায়াতের জন্য মান্থলি টিকিট ব্যবহার করেন। এই সিজ়ন টিকিট রিজ়ার্ভড কোচে যাত্রার জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে মান্থলি কেটে যাত্রা করার আগে কোন শ্রেণির কোচে যাত্রা করা যাবে, সেটিও যাত্রীদের খেয়াল রাখতে হবে।
নতুন এই পরিষেবার ফলে বিশেষ করে বয়স্ক বাবা-মা বা পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের জন্য টিকিট কাটার প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ হবে। তাঁরা নিজেরা অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যায় পড়লে পরিবারের কোনও সদস্য নিজের ফোন থেকেই তাঁদের জন্য মান্থলি কেটে দিতে পারবেন। একই সঙ্গে কর্মসূত্রে বাইরে থাকা বা নিয়মিত যাতায়াতকারী পরিবারের একাধিক সদস্যের টিকিট পরিচালনাও সহজ হবে।
কাউন্টারে গিয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার বদলে মোবাইলেই কাজ সেরে ফেলার সুযোগ ইতিমধ্যেই অনেক যাত্রীকে স্বস্তি দিয়েছে। এবার অন্যের জন্যও মান্থলি বুকিংয়ের সুবিধা চালু হওয়ায় RailOne অ্যাপের ব্যবহার আরও বাড়তে পারে। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কার্যকর হওয়ার তারিখ, বয়সসীমা এবং জিও-ভেরিফিকেশনের মতো বিষয়গুলি ঠিক ভাবে মেনে চলাই গুরুত্বপূর্ণ।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


